Showing posts with label ত্বোয়াহা বিন হাবীব. Show all posts
রমাদ্বান ১
By : Maruf Al Berunee
আউযুবিল্লাহি মিনাশ শায়তানির রাজীম
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
এসো হে ঈমানদার মানব মানবী ! আমরা এবার থেকে পুনঃ আল্লাহর রহমতের সিয়াম সাধনা করি ! আবার কুরআন নাযিল ও পালনের মাহে রমযান আসছে।
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ
*এ বিজ্ঞপ্তি হচ্ছে সে সমস্ত নর-নারীদের উদ্দেশ্যে,যারা আল্লাহর দাসত্বের অঙ্গিকার পালনার্থে ঈমান ধারণ করে,সালাত কায়েম করে,সিয়াম সাধনা করে,যাকাত পরিশোধ করে এবং হজ্জ পালন করে।
যারা লোক দেখানো সাম্প্রদায়ীক পূজা-পার্বণের মতো ধর্মীয় অনুষ্ঠানাদি করে,তাদের জন্য এ লেখা ও তার আবেদন নয়।তারা যে যেরুপ ইচ্ছা ধর্মাচার করুক।তাদের সাথে আমার কোনো সম্পর্কও নেই, বিবাদও নেই।
*আমি আল্লাহর এমন বান্দা যে,একমাত্র আল্লাহকে তাঁর কিতাব ও রাসূলদের অনুকরণে বিশ্বাস করি,জানি ও মানি।অন্য কাউকে মানি না।
*আমার বিশ্বাসের মানদণ্ডের ভাইবোনদের আবেদন করছি যে,পৃথিবীতে আল্লাহর পর তাঁর সবচেয়ে বড়ো দান শাশ্বত দ্বীন ইসলাম।এর স্তম্ভগুলোঃ ঈমান,সালাত ক্বায়েম,সিয়াম সাধনা, যাকাত আদায় ও হজ্জ পালন করলে মানব সমাজ আল্লাহর রহমতে ভূ-পৃষ্ঠ বেহেশতে রুপান্তর হয়।বর্তমানে বিশ্বে উক্ত কাজগুলো ঈমানহীন অনুষ্ঠানরুপে পালনের ফলে মানবজাতি আজধ্বংসের কিনারে।
*ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা আল্লাহর নবীদের প্রদর্শিত দ্বীনকে বিকৃত করে মানুষকে জাতে ধর্মে বহুধা বিভক্ত করেছে।তা না হলে মানবজাতি এক পরিবার রয়ে যেতো।
*সকল নবী রাসূলগণ আল্লাহর দ্বীন পালনে হুবহু একই শরীআওএকই সালাত, সিয়াম ও হজ্জ পালন করেছেন এবং তাদের অনুসারী সবাই তাদের মতো মুসলিম ছিলো।কেউ ইয়াহুদী,খৃষ্টান ও মোহামেডান ছিলোনা।
*তাই আল্লাহ তাঁর শেষ নবী সঃ কে বলেছেন, “তুমি কি ওদের দেখেছো যারা আল্লাহর দ্বীনকে বিকৃত করে তাদের সম্প্রদায়কে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে জাহান্নামের কিনারে দাঁড় করিয়েছে? একটু পরেই তারা তাতে পতিত হবে।কতোই না করুণ তাদের পরিণতি!(ইব্রাহীম-২৮-২৯)
*হযরত মূসা ও ঈসা আঃদের শিখানো তাওহীদী কালেমা, সালাত ও সিয়ামকে ইয়াহুদী ও খৃষ্টানরা আকার প্রকার সব দিক দিয়ে বিকৃত করে ফেলে অভিশপ্ত হয়।তাই আল্লাহ তাঁর আখেরী নবী সঃ এর মাধ্যমে ঈমানদারদের আল ক্বোরআন ও রাসূল আঃ এর মুখে বার বার নির্দেশ করেছেন, তারা যেন কোনো ব্যাপারেই ইয়াহুদী নাসারাদের বিকৃত ধর্মের কে অনুসরণ না করে।করলে তারাও ওদের মতো হয়ে যাবে।আল্লাহ সকল ঈমানদারদের জন্য সর্বকালে একই ভাবে সিয়াম পালন ও সাধনা করতে বলেছেন।يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا كُتِبَ عَلَيْكُمُ الصِّيَامُ كَمَا كُتِبَ عَلَى الَّذِينَ مِن قَبْلِكُمْ لَعَلَّكُمْ تَتَّقُونَ(বাক্বারা-১৮৩)সালাত মানুষকে সামাজিক শৃঙ্খলা ও নেতৃত্বের প্রশিক্ষণ দেয়।অশ্লীলতা ও পাপাচার থেকে বিরত রাখে।সিয়াম সাধনা মানুষকে তাক্বওয়ার আগুনে পুড়ে খাঁটি সোনা মুত্তাক্বী বানায়।
*মাহে রমজান সঠিক সিয়াম পালনকারীদের জন্য শুধু বরকত ও বরকতের মাস।আর যারা ইয়াহুদী খৃষ্ঠানদের মতো বিকৃতভাবে পালন করে, তাদের জন্য অপচয় ও পাপাচারের দুর্যোগের মাস।
ঈমানদারের জন্য কম খরচে বেশি ইবাদত করে আগামী এগারো মাসের কৃচ্ছতা সাধনার শিক্ষা দেয় মাহে রমজান। আল্লাহর নির্দেশ ও রাসূল সঃ এর আমল অনুযায়ী রোজা পালন করলে রমজান মাসে খরচ অর্ধেক কমে বাজারের দ্রব্যমূল্য কমে যায়।
*ইয়াহুদী –খৃষ্টানদের মতো রোজা রাখলে অন্যান্য মাসের তুলনায় রোজার মাসে খরচ দ্বিগুণ হয়ে যায়।বাজারে নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্য বাড়ে।অফিস আদালতে ঘুষ বাড়ে। হাটে বাজারে উলঙ্গ নারীদের মাংস প্রদর্শন হয় এবং ইফতার পার্টি ও ঈদের পোষাকের প্রতিযোগিতায় খৃষ্টমাচের মতো রোজা ও ঈদ এক পার্বণ হয়ে যায়।
*ইসলামের বিধান মতো রোজা রেখে ইফতার করলে হিসাব করে দেখা যায় যে,বাংলাদেশে এক রমযানের সঞ্চয়ে একটি যমুনাব্রীজ নির্মাণ করা যায়।
*আল্লাহ ক্বোরআনে নির্দেশ করেছেন,“তোমরা রাত্রি থেকে রাত্রি পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করবে”ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ (বাক্বারা-১৮৭)।
*রাসূল সঃ এর মৃত্যুর পর আরবরা ইয়াহুদী-খৃস্টানদের ন্যায় ইসলামী খেলাফতকে ছিনতাই করে মদিনায় রাসূলের সঃ প্রিয় দশ হাজার সাহাবীকে হত্যা করে, রাসূল সঃ এর রওজা ও মসজিদকে ঘোড়ার আস্তাবল বানায়, হাজার হাজার মুসলিম মেয়েদের ধর্ষন করে,এক হাজার কুমারীকে গর্ভবতী করে এবং কাবা ঘরকে পুড়ে ছাই করে ফেলে।তারপর সাম্রাজ্য প্রতিষ্ঠা করে সালাত,সিয়াম ও হজ্জকে বিকৃত করে। আজ মুসলিম বিশ্বে সে বিকৃত নামাজ-রোজা চালু। ফলে বিশ্বময় আজ মুসলিম জাতির এ দূর্দশা।ইসলামে সরকার প্রধান জুমা ও ঈদের ইমামতি করে।বারো কোটি মুসলমানের বাংলাদেশের খালেদা হাসিনার ইমামতিতে কি জুমা ও ঈদ পালন করা যায়?মেঘাবতীর পেছনে ইন্দোনেশিয়ায় পড়া যায়?বেনজীরের পেছনে পাকিস্থানে পড়া যায়?
*এভাবে স্বৈরশাসকরা তাদের ভাড়া খাটা মোল্লাদের দ্বারা ধর্মীয় কাঠামোকে তসনস করে দেয়।তাই সালাত ও সিয়াম সব আজ নিস্প্রাণ অন্তসারশূণ্য অনুষ্ঠান।
*এখন বিশ্বময় ডাক এসেছে,ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের অনুসরণের ধর্মাচার বাদ দিয়ে রাসূল সঃ এর দ্বীন,সমাজ ও রাষ্ট্র পুনঃপ্রতিষ্ঠিত করার।রমজান মাসে ক্বোরআন নাযিল হয়েছে।তাই রমজান থেকেই আমরা কালেমা,সালাত ও সিয়াম দুরস্ত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছি।
*আল ক্বোরআনে আল্লাহ বলেছেন সোবহে সাদেকের পূর্বে সেহরী শেষ করে রাত্রি পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ করতে।তদ্রূপ আল ক্বোরআনে ফজর ও মাগরিবকে দিবসের দু’প্রান্ত“তারাফাঁইন নাহার”বলা হয়েছে।এশাকে বলা হয়েছে নিশার প্ররম্ভ বা “যুলাফাম মিনাললাইল”।অর্থাৎ ফজর যেমন রাত নয়,মাগরিবও রাত নয়।এশা শুরূ হলে রাত্রের আগমন ঘটে।তখন ইফতারের সময় হয়।মাগরিবের সময় নয়।
*অভিশপ্ত ইয়াহুদী-খৃষ্টানরা আল্লাহর নির্দেশ অমান্য করে এক এশা আরেক এশা পর্যন্ত অর্থাৎ চব্বিশ ঘন্টা রোজা চালু করে।আখেরী নবী সঃ বলে যান ওদের অনুসরন না করে এশার ওয়াক্ত হতেই ইফতার করতে।
*আরব সাম্রাজ্যবাদীরা আল্লাহ ও রাসূলের নির্দেশ অমান্য করে ইসলাম ও ইয়াহুদীবাদ উভয় বাদ দিয়ে একটি তৃতীয় শয়তানী চালু করে।অর্থাৎ শেষ রাত্র থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত।রাত পর্যন্ত নয়।ইয়াহুদীরা লম্বা করে ফেলে,ওদের চাচাতো ভাই আরবরা রোজাকে খাটো করে মানব জাতিকে মাহে রমজানের বরকত ও রহমত থেকে বিচ্যুত করে।
*ইফতারীর দোকানদাররা এটাকে লুফে নেয়।কারণ ইফতারের নামে মুসলিম বিশ্বে বাজারে অতিভোজ ও ভোগের জাহান্নাম শুরু হয়।দশ টাকার পেঁয়াজ বিশ টাকা হয়,পাঁচ টাকার বেগুন ষোল টাকা এবং এ হারে লুটের বাজার চালু হয়।
আর যদি ক্বোরআন ও রাসূল সঃ এর নির্দেশ অনুযায়ী ইফতার করা হয়, তা হলে ইসলামী সমাজ আসরের সময় থেকে মাগরিব ও মাগরিব থেকে এশা পর্যন্ত ঘরে ঘরে ক্বোরআন তেলাওয়াত ও শিক্ষার বেহেশ্তী সময় পায়। গৃহিণীরা দিবাভাগে রাতের খাবার পাকিয়ে ক্বোরআন শিক্ষায় স্বামী সন্তানদের সাথে শরীক হতে পারে। এশার আযানের পর যখন মানুষ রাতের খাবার খাবে, তখন তার সাথে পেয়াজী, বেগুনী, বুট, ভাজাপোড়া ও অন্যান্য রাক্ষুসে খাওয়া খাবে না। শুধু উপাদেয় সুপাচ্য সুষম খাদ্য খাবে। তাতে গৃহকর্তার অর্ধেক সাশ্রয় হবে। বাড়তি কামাই এর জন্য ঘুষ খেতে হবেনা। গৃহিনীর এতো কিছু পাকাতে গলদঘর্ম হতে হবেনা। এশা পড়ে ঘুমিয়ে আবার মধ্য রাতের পর ঘুম থেকে উঠে তৃপ্তিভরে তাহাজ্জুদ নামাজ ও ক্বোরআন তেলাওয়াত করতে পারবে। এখানে অতি গুরুত্বের সাথে মনে রাখতে হবে যা, ইসলামে “তারাবী” নামের কোন নামাজ নেই। রাসূল সঃ এরূপ কোন সালাতের সংযোজন কঠোর ভাবে নিষেধ করেছেন। (বোখারী-মুসলিম) খলিফা ওমর “বিদ্আত” বলে এটাকে চালু করে এ বলে যে, “যারা শেষ রাতে উঠে রমজানে তাহাজ্জুদ পড়বেনা, তারা রাত্রের প্রথমার্ধে হাট বাজারে আড্ডা না দিয়ে নামাজে দাঁড়িয়ে ক্বোরআন শুনুক। তবে এটি একটি বিদ্আত”। রাসূল সঃ যা করেন নি, ধর্মে তা করাই বিদ্আত। বিদ্আত দাঁড় করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ। কিন্তু রমজান মাসে মস্জিদ কমিটি চাঁদা তোলা ও হাফেজ ভাড়া করে অতিরিক্ত আয়ের ব্যবস্থা করতে এ বিদ্আতকে এমনভাবে প্রতিষ্ঠিত করেছে যে, তার চাপে মাহে রমজানে ক্বোরআন বুঝার ফরজই চাপা পড়ে হারিয়ে গেছে। তারাবীর তারাহুড়ায় হাফেজ, ইমাম ও মুসল্লী সবাই ক্বোরআন শুনে বুঝে, ক্বোরআনের গভীরে পৌঁছার সুযোগ চীরতরে হারিয়েছে। ইন্নালিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাই হি রাজিউন।
আল ক্বোরআনে আল্লাহ যেভাবে ফজর ও মাগরিবকে দিবসের দু’আঁচল বলেছেন, রাত নয়, তদরূপ রাসূল সঃ বলেছেন মাগরিব হলো দিবসের বিতির, যেমন এশার পর রাতের বিতির হয়। তাহাবীতে আব্দুল্লাহ ইবন উমর এ হাদীস বর্ণনা করেছে, বিতিরের অধ্যায়ে। এ বর্ণনা যেহেতু ক্বোরআনের সাথে মিল, তাই তা গ্রহণীয়।
যারা মুসলিম উম্মার চরম দুর্দিনে সত্য ও নাজাতের পথ চায়, তাদের সঠিক বুঝের জন্য সিয়াম ও ইফতারের সঠিক সময় ক্বোরআন ও রাসূল সঃ এর শিক্ষা অনুযায়ী দেওয়া হলো। সহজভাবে বুঝার জন্য দিনরাত, দিনের আচল ও রাতের প্রারম্ভ সূচক অত্যন্ত সূক্ষ্ণ নির্দেশক চিত্র তুলে ধরা হলো। যারা বুঝা ও আমলের জন্য আরও জানতে আগ্রহী, তাদের জন্য আরও জিজ্ঞাসার সুযোগ রয়েছে। তাদের জন্য সঠিক সিয়াম সাধনা, বর্জনীয় ও করণীয় নির্দেশক আরও একটি পোস্টারও ছাপা হয়েছে। আর যারা বিবাদ ও ফিতনা সৃষ্টিতে আগ্রহী, তাদের সাথে বিতর্ক করার সময় ও সুযোগ নেই। তারা রোজ তিনবার ইফতার খেয়ে এক দিনে তিনটি করে রোজা রাখলেও তাতে আমার আপত্তি নেই, তারা যা খুশি করুক। আমি তাদের কেউ নই, তারাও আমার কেউ নয়। তারা গণধর্ম, গণতন্ত্র, গণরোজা, গণইফতার ও গণঈদ যত পারে, তাতে মেতে থাকুক। তাদের আনন্দ উৎসবে আমার ঈর্ষা নেই। কেয়ামতের দিন আল্লাহ ও তাঁর রাসূলদের সামনে ফয়সালা হবে। রাসূল সঃ বলেছেন, “তোমরা ঠিক সময়ে ইফতার করবে, ইয়াহুদীদের মত দেরী করবে না”।তাঁর এ আদেশ অবশ্যই ইয়াহুদীদের ২৪ ঘণ্টার উপবাসের বিরুদ্ধে। তদ্রূপ, তা বর্তমানে রমজানের প্রহসনকারী নামধারী মুসলমানদের বিরুদ্ধেও, যারা ইয়াহুদীদের পদাঙ্ক অনুসরণে সিয়ামকে খাটো না করে রাত না হতেই দিনের প্রান্তভাগে সন্ধ্যায় ইফতার করে। ইয়াহুদী খৃষ্টানদের ন্যায় এদেরও সিয়াম হয় না।
এসো হে আল ক্বোরআনের অনুসারী নবী রাসূলদের সিয়াম পালনকারী আল্লাহর দাস দাসীরা! সঠিক সালাত ও সিয়াম পালন করে বিশ্বে পুনঃ মুস্লিম উম্মার পুনর্জাগরণের কাফেলায় শরীক হও।
ثُمَّ أَتِمُّوا الصِّيَامَ إِلَى اللَّيْلِ
অতঃপর তোমরা রাত্র পর্যন্ত সিয়াম পূর্ণ কর। (বাকারা-১৮৭)
وَأَقِمِ الصَّلَاةَ طَرَفَيِ النَّهَارِ وَزُلَفًا مِّنَ اللَّيْلِ
সালাত কায়েম কর দিবসের দু’আচলে এবং রাতের প্রারম্ভেও। (হুদ-১১৪)
দিবসের দু’ প্রান্তিক আঁচল হলো ফজর ও মাগরিব। রাতের শুরু হয় এশার ওয়াক্ত শুরু হলে। তাকে কুরআনে “যুলাফাম মিনাল লাইল” বলা হয়েছে। মাগরিব দিবসের দ্বিতীয় প্রান্ত, রাত্র নয়। ফজর ও মাগরিবকে আল্লাহ কুরআনে “তারাফাইন নাহার” বলে উল্লেখ করেছেন।
Tag :
ত্বোয়াহা বিন হাবীব,
রমাদ্বান,
মৃত জীবিত করার পত্র
By : Maruf Al Berunee
قُمْ بِإذْنِ الله
মাননীয় (?) সংসদ সদস্য,
এম পিরা/ এম,পি সাহেবরা عليكم ما عليكم من الله وهو عليم بكم خبير
বিশ্বরাজনীতির ধর্মনিরপেক্ষতা ও নাস্তিকতার দিন শেষ। রাশিয়ান সাম্রাজ্যের পতন ঘটেছে। বুশ-বেয়ার ও শ্যারনরা ত্রিমুখী ক্রুসেডে নেমেছে। ধর্মকে ধর্ম দিয়ে রুখতে হয়। অধর্ম দিয়ে নয়। সে ধর্ম, বিশ্ব শান্তির, বিশ্ব ধর্মের হতে হবে। যার কোন খন্ডিত সীমানা নেই, হয়না। তবে সে ধর্ম ঘৃণ্য স্বার্থ ও সুবিধাবাদী সন্ত্রাসের জামাতী ইসলাম, বা সন্যাসবাদের তাবলীগী ইজতিমা নয়। পীর-ফকীরির ভোজবাজির খানকা সাজানোও নয়। তা আদম সন্তানদের এক পরিবার, এক বিশ্ব ও এক আল্লাহর, যার নাম হতে পারে “বিশ্বাসের বিশ্বায়ন”। শুধু তা দিয়েই ইবলিসের “বেশ্যায়নের বিশ্বায়ন” রুখে আদম পরিবারকে মর্ত্যে স্বর্গীয় সমাজ ব্যবস্থা উপহার দেয়া সম্ভব। রপ্তানী প্রকৃয়াজাত করণের নামে বিদেশী পাশব ভোগবাদী হায়নাদের এনে মা-বোনদের সম্ভ্রম নিলাম ও রপ্তানীর অবশ্যম্ভাবী পরিনতি হবে বাংলাদেশকে এইডস/ এইচআইভির মহামারীতে বিসর্জন দেয়া। ব্রাহ্মন্যবাদী ভারত এইডস মহামারীর রামায়নের জন্য তিন দিক থেকে তোমাদের ঘিরে রাক্ষসের ন্যায় হা করে আছে।
মুজিব-জিয়ার পরিণাম থেকে শিক্ষা নিয়ে, তাদের কন্যা-স্ত্রীর “সতীন হটাও” রাজনীতির “এক দফা” কর্মসূচী থেকে মৃত্যুশয্যার তওবা করে আল্লাহর দাসত্বের এক দফা রাজনীতিতে প্রবেশ করলে, কোটি টাকার নির্বাচন করে জাতীয় চোর হতে হবেনা। ভোটার প্রতি একশত টাকা ভাতা দিয়ে জনগন তাদের সেবক সাংসদকে পুষবে। পরবর্তী নির্বাচনের জন্য হারাম পথে উপার্জন করতে হবেনা।
Heaven's Light বা স্বর্গীয় আলোর সূর্য্যদয় ঘটিয়ে হাযার হাযার বিলিয়ন বিদেশী মূলধন, ও লক্ষ বিলিয়ন মূল্যের মানব সম্পদ আকর্ষণের একটি নির্দেশিকা পত্র ও তার সাথে বিশ্বায়নের মহা সড়ক, বা Road Map গ্রন্থের এক কপি উপহার দেয়া হলো।
আল্লাহর নৈকট্য ও সন্তুষ্টি ব্যতীত অন্য কোন প্রতিদানের ভিখারী আমি না। সৃষ্টির দান দক্ষিনার উর্ধে উঠে আমি আহবান পৌছে দিলাম। যারা যারা এ পত্র ও বই পড়ে নিজ নিজ Pedigreeবা কুষ্টিনামার সন্ধান পাবে, তাদের যোগাযোগ কামনা করছি। আত্মপরিচিতিহীনদের নেতৃত্বের দ্বারা সমাজ সেখানে যায়, যেখানে আজ বাংলাদেশ সরকার ও রাষ্ট্র দাঁড়িয়ে! এক নম্বর দূর্নীতিবাজ, একনম্বর দরিদ্র ও এক নম্বর পুরুষত্বহীন নারী নেতৃত্বের স্বেচ্ছাচারে নিমজ্জিত! আরো কিছু বিশেষণ চাই?!
এ আবেদন পেয়ে না জাগলে তাও জুটবে, তা হলো জাহান্নাম। ইহকালে ও পরকালে।
Tag :
ত্বোয়াহা বিন হাবীব,
আদম হাওয়ার এপিঠ/ওপিঠ স্বামী স্ত্রী
By : Maruf Al Berunee
আদম হাওয়ার এপিঠ/ওপিঠ স্বামী স্ত্রী
হে বাবা আদমের সন্তান পুরুষ! নর ও নারী মানবতার এপিঠ ওপিঠ। যে কোনো পিঠ ধ্বংস হলে অপর পিঠ ধ্বংস হয়।
নরনারীতে কোনো বৈষম্য নেই। বৈশিষ্ট আছে। বৈষম্য শয়তানের সৃষ্টি। বৈশিষ্ট আল্লাহর দান।
বৈষম্য মানা শয়তানের দাসত্ব। বৈশিষ্টের লালন আলাহর এবাদত।
আল্লাহর বৈশিষ্টে নরেরা আনসার। নারীরা মুহাজির।একে অপরের সম্পুরক।
নারীর নারীধর্ম পালনে প্রত্যেক নারীকে স্বামী গ্রহনার্থে শশুর বাড়ী যেতে হয়।
নরধর্ম পালনার্থে প্রত্যেক নরকে স্বগৃহ ত্যাগকারী স্ত্রীকে বধু রূপে গ্রহন করতে হয়।
অন্যথা নরনারীকে মা বোন ও পিতা ভাইয়ের সাথে যৌন মিলন ঘটাতে হয়। যেমন পশু প্রাণী করে। তা না হলে কারো বংশ বৃদ্ধি হবেনা।
অতএব ঈমানদার নরেরা! তোমরা আনসার হয়ে পিত্রালয় ত্যাগকারী স্ত্রীদের সকল সত্বা দিয়ে গ্রহন করো, ভালোবাসো, এবং কর্ম শেষে বাইরে আড্ডা না দিয়ে ঘরে ফিরে স্ত্রী পরিজনদের বেশী সময় দাও। নিজ নিজ সন্তানদের শিক্ষা দীক্ষা দাও। সহজ সরল জীবন যাপন করো। প্রাচুর্য্য ও বিলাসিতার দিকে হাত বাড়াবেনা, পরিবার ও ঘরকে শান্তির দুর্ভেদ্য দুর্গ রূপে গড়ে তোলো।বাড়ির মুরব্বি বড়ভাই, বাবা মা ও দাদা দাদীকে মান্য করবে। ছোট বড় সবার মাঝে সালাম বিনিময় অবশ্য করবে।
এমনকি বড়দের পা ধরে সালামও করতে পারো। পরিবার ভাঙ্গার জন্য শয়তান বিশ্বময় মিডিয়ায় পাশব যৌনাচারের ব্যাভিচার নিয়ে ঘরে ঘরে এইচ, আই ,ভি ও এইড্স এর মরণ ব্যাধী ছড়াচ্ছে। টিভি, ভিডিও, ও অডিও পরিবার থেকে বিদায় দাও।
হাওয়া আদমের এপিঠ/ওপিঠ স্ত্রী স্বামী
হে মা হাওয়ার সন্তান নারী। নারী ও নর মানব পরিবারের এপিঠ ওপিঠ।
নারী আল্লাহর বিধানে পিতা মাতা ও ভাই বোন ছেড়ে পিত্রালয় ত্যাগ করে পরের বাড়ির বধু হয়। চীরতরে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ী তার বাড়ী। এক তালাক মাত্র বিবাহ বিচ্ছেদের দুর্ঘটনাই পুনঃ নারীকে বাপের বাড়ী ফেরত পাঠায়। সতী মহিয়সী নারীর পারিবারিক স্বর্গ ধ্বংস করার জন্য বিশ্বের নারী বেশ্যারা তাদের পুরুষ দালাল নারী মাংস ও দেহের ব্যাবসায়ী দের সহায়তায় গৃহবধু মা বোনদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছে। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ওদের ক্ববজায়। ওরা বাবা আদম ও মা হাওয়ার পুত্র কন্যাদের জাহান্নামের ইন্ধন বানাবেই। এ লক্ষ্যে ওরা শয়তানের মিত্র বাহিনী।
ইবলিস শয়তানের পক্ষ হয়ে ওরা বেপরওয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। ওরা প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে। কারণ ওদের ঘর নেই, পরিবার নেই। তাই তারা কারো শান্তির নীড় রাখবেনা।
আল্লাহর দ্বীন ইসলাম ব্যতীত ওদের মোকাবেলা করা যবেনা। তবে তা সঙ্কীর্ন মোল্লাদের ইসলাম নয়। নবীদের আদর্শের।
ঈমানদার নারীদের তাদের স্বামী, পিতামাতা,ভাইবোনও সন্তানদের নিয়ে ঠিক এ মুহুর্তেই ঘর ভাঙ্গা সকল রাজনীতির পঁচা গলি ও নারীবাদী , নরবাদীর নোংরামীর উর্ধ্বে বিশ্বের স্বর্গীয় মানব পরিবার রক্ষা ও তার উন্নয়নের লক্ষে বাংলাদেশ থেকে এক ঐশি জয়য়াত্রা শুরু হচ্ছে।
সচেতন, দায়িত্বশীল ও সামর্থ ভাই বোন, পিতা মাতা ও পুত্র কন্যারা, মুক্তির পথে, কল্যানের মহা যাত্রায় যোগ দিন। আল্ল¬াহ আমাদের অভিভাবক।
এ লক্ষ্যে সার্বিক আন্দোলনের উদ্দেশ্যে দু’বিঘার উর্ধ্বে জায়গা নিয়ে কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। যেখানে ঈমানের জন্য ফিরআউনের মতো অত্যাচারী স্বামীদের ত্যাগ করে বিবি আসিয়ার মতো স্ত্রীরা হিজরত করে আশ্রয় নিতে পারে। পাপাচারের সমাজ থেকে বিবি মারয়ামের মতো পবিত্র নারীরাও হিজরত করে লম্পট সমাজ থেকে সতীত্ব সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারে। এমনকি হযরত নূহ্ ও হযরত লুতের আদর্শের স্বামীরাও নূহ ও লুতের স্ত্রীদের ন্যায় অবাধ্য পাপীষ্ঠা স্ত্রীদের ত্যাগ করে সমাজ বিপ্লবের লক্ষ্যে সমবেত হতে পারে। তবে অবশ্যই সকলে যোগ্য, সমর্থ, সাহসী ও ঘোষিত হিজরতকারী হতে হবে। পলায়নকারী নয়। সকল খন্ডিত রাজনীতি ও সা¤প্রদয়ীকতার উর্ধ্বে এ আহবান। সুশীল সমাজের সকল নরনারী অমন্ত্রিত।
যোগাযোগের ঠিকানা: সন্ত্রাসহীন বিশ্বশান্তি কেন্দ্র, ২৪৮/২,দ্বিতীয় কলোনী, মিরপুর মাজার রোড,ঢাকা-১২১৬
হে বাবা আদমের সন্তান পুরুষ! নর ও নারী মানবতার এপিঠ ওপিঠ। যে কোনো পিঠ ধ্বংস হলে অপর পিঠ ধ্বংস হয়।
নরনারীতে কোনো বৈষম্য নেই। বৈশিষ্ট আছে। বৈষম্য শয়তানের সৃষ্টি। বৈশিষ্ট আল্লাহর দান।
বৈষম্য মানা শয়তানের দাসত্ব। বৈশিষ্টের লালন আলাহর এবাদত।
আল্লাহর বৈশিষ্টে নরেরা আনসার। নারীরা মুহাজির।একে অপরের সম্পুরক।
নারীর নারীধর্ম পালনে প্রত্যেক নারীকে স্বামী গ্রহনার্থে শশুর বাড়ী যেতে হয়।
নরধর্ম পালনার্থে প্রত্যেক নরকে স্বগৃহ ত্যাগকারী স্ত্রীকে বধু রূপে গ্রহন করতে হয়।
অন্যথা নরনারীকে মা বোন ও পিতা ভাইয়ের সাথে যৌন মিলন ঘটাতে হয়। যেমন পশু প্রাণী করে। তা না হলে কারো বংশ বৃদ্ধি হবেনা।
অতএব ঈমানদার নরেরা! তোমরা আনসার হয়ে পিত্রালয় ত্যাগকারী স্ত্রীদের সকল সত্বা দিয়ে গ্রহন করো, ভালোবাসো, এবং কর্ম শেষে বাইরে আড্ডা না দিয়ে ঘরে ফিরে স্ত্রী পরিজনদের বেশী সময় দাও। নিজ নিজ সন্তানদের শিক্ষা দীক্ষা দাও। সহজ সরল জীবন যাপন করো। প্রাচুর্য্য ও বিলাসিতার দিকে হাত বাড়াবেনা, পরিবার ও ঘরকে শান্তির দুর্ভেদ্য দুর্গ রূপে গড়ে তোলো।বাড়ির মুরব্বি বড়ভাই, বাবা মা ও দাদা দাদীকে মান্য করবে। ছোট বড় সবার মাঝে সালাম বিনিময় অবশ্য করবে।
এমনকি বড়দের পা ধরে সালামও করতে পারো। পরিবার ভাঙ্গার জন্য শয়তান বিশ্বময় মিডিয়ায় পাশব যৌনাচারের ব্যাভিচার নিয়ে ঘরে ঘরে এইচ, আই ,ভি ও এইড্স এর মরণ ব্যাধী ছড়াচ্ছে। টিভি, ভিডিও, ও অডিও পরিবার থেকে বিদায় দাও।
হাওয়া আদমের এপিঠ/ওপিঠ স্ত্রী স্বামী
হে মা হাওয়ার সন্তান নারী। নারী ও নর মানব পরিবারের এপিঠ ওপিঠ।
নারী আল্লাহর বিধানে পিতা মাতা ও ভাই বোন ছেড়ে পিত্রালয় ত্যাগ করে পরের বাড়ির বধু হয়। চীরতরে স্বামী ও শ্বশুর বাড়ী তার বাড়ী। এক তালাক মাত্র বিবাহ বিচ্ছেদের দুর্ঘটনাই পুনঃ নারীকে বাপের বাড়ী ফেরত পাঠায়। সতী মহিয়সী নারীর পারিবারিক স্বর্গ ধ্বংস করার জন্য বিশ্বের নারী বেশ্যারা তাদের পুরুষ দালাল নারী মাংস ও দেহের ব্যাবসায়ী দের সহায়তায় গৃহবধু মা বোনদের বিরুদ্ধে সর্বাত্মক যুদ্ধে অবতীর্ন হয়েছে। ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া ওদের ক্ববজায়। ওরা বাবা আদম ও মা হাওয়ার পুত্র কন্যাদের জাহান্নামের ইন্ধন বানাবেই। এ লক্ষ্যে ওরা শয়তানের মিত্র বাহিনী।
ইবলিস শয়তানের পক্ষ হয়ে ওরা বেপরওয়া হয়ে মাঠে নেমেছে। ওরা প্রতিহিংসার আগুনে জ্বলছে। কারণ ওদের ঘর নেই, পরিবার নেই। তাই তারা কারো শান্তির নীড় রাখবেনা।
আল্লাহর দ্বীন ইসলাম ব্যতীত ওদের মোকাবেলা করা যবেনা। তবে তা সঙ্কীর্ন মোল্লাদের ইসলাম নয়। নবীদের আদর্শের।
ঈমানদার নারীদের তাদের স্বামী, পিতামাতা,ভাইবোনও সন্তানদের নিয়ে ঠিক এ মুহুর্তেই ঘর ভাঙ্গা সকল রাজনীতির পঁচা গলি ও নারীবাদী , নরবাদীর নোংরামীর উর্ধ্বে বিশ্বের স্বর্গীয় মানব পরিবার রক্ষা ও তার উন্নয়নের লক্ষে বাংলাদেশ থেকে এক ঐশি জয়য়াত্রা শুরু হচ্ছে।
সচেতন, দায়িত্বশীল ও সামর্থ ভাই বোন, পিতা মাতা ও পুত্র কন্যারা, মুক্তির পথে, কল্যানের মহা যাত্রায় যোগ দিন। আল্ল¬াহ আমাদের অভিভাবক।
এ লক্ষ্যে সার্বিক আন্দোলনের উদ্দেশ্যে দু’বিঘার উর্ধ্বে জায়গা নিয়ে কেন্দ্র স্থাপিত হয়েছে। যেখানে ঈমানের জন্য ফিরআউনের মতো অত্যাচারী স্বামীদের ত্যাগ করে বিবি আসিয়ার মতো স্ত্রীরা হিজরত করে আশ্রয় নিতে পারে। পাপাচারের সমাজ থেকে বিবি মারয়ামের মতো পবিত্র নারীরাও হিজরত করে লম্পট সমাজ থেকে সতীত্ব সম্ভ্রম রক্ষা করতে পারে। এমনকি হযরত নূহ্ ও হযরত লুতের আদর্শের স্বামীরাও নূহ ও লুতের স্ত্রীদের ন্যায় অবাধ্য পাপীষ্ঠা স্ত্রীদের ত্যাগ করে সমাজ বিপ্লবের লক্ষ্যে সমবেত হতে পারে। তবে অবশ্যই সকলে যোগ্য, সমর্থ, সাহসী ও ঘোষিত হিজরতকারী হতে হবে। পলায়নকারী নয়। সকল খন্ডিত রাজনীতি ও সা¤প্রদয়ীকতার উর্ধ্বে এ আহবান। সুশীল সমাজের সকল নরনারী অমন্ত্রিত।
যোগাযোগের ঠিকানা: সন্ত্রাসহীন বিশ্বশান্তি কেন্দ্র, ২৪৮/২,দ্বিতীয় কলোনী, মিরপুর মাজার রোড,ঢাকা-১২১৬
Tag :
ত্বোয়াহা বিন হাবীব,