প্রসঙ্গঃ পাখি ড্রেস!
By : Maruf Al Berunee
পাখি ড্রেস!!
-Abdullah Al Maruf
প্রতি ঈদেই নারীদের আকর্ষণ
থাকে নির্দিষ্ট একটি ড্রেসের
দিকে। গতবারের ঈদে নারীদের
আকর্ষণ যেমন ছিল
আনারকলি ড্রেসের দিকে,
এবারের আকর্ষণ # পাখি ড্রেসের
দিকে।
প্রতিবছরই জনপ্রিয়
কোনো সিনেমা অথবা সিরিয়ালের
নায়ক বা নায়িকার নামে বড়
উৎসবগুলোতে ড্রেস বের হয়। এসব
পোশাক খুব সহজেই আকৃষ্টও
করে ক্রেতাদের। গতবছর ‘ঝড়
তুলেছিল’ ঝিলিক, আশিকি টু। আর
এবার রোজার
ঈদে সামনে রেখে বাজারে এসেছে ‘পাখি’।
স্টার জলসার জনপ্রিয় সিরিয়াল
‘বোঝেনা সে বোঝেনার’
নায়িকা পাখির নামে বের
হওয়া এই ড্রেস সাড়াও
জাগিয়েছে বেশ।
এছাড়া মোদি ড্রেসও বেশ
জনপ্রিয় এবার ঈদে।
এক বিপণী কেন্দ্রে সপ্তম শ্রেণীর
ছাত্রী সানজিদা জানায়,
সে ২টা পোশাক কিনবে। তার
মধ্যে সে একটি পাখি ড্রেস
কিনেছে। সে আরো জানায়,
সবাই
মার্কেটে এসে পাখি ড্রেস চায়।
৬ষ্ঠ শ্রেণীর তানজিলা জানায়,
পাখি ড্রেসের
সাথে পাখি জুতা কিনেছি।
(চাদপুর কন্ঠ)
//ক্রিকেট ফুটবল না খেললে কেউ
না খেয়ে মরে যেতো না, কিন্তু
দেখিয়ে দেখিয়ে আমাদেরমধ্যে এটার
চাহিদা তৈরি করা হয়েছে।
ক্যাটালগ ড্রেস ও এর ব্যতিক্রম নয়।
আপনার আমার মাঝে একটার
যায়গায় ১০ টা পোশাক কেনার
নিড তৈরি করতে সক্ষম
হয়েছে এইসব
পুঁজিবাদীরা।
আজকে আমরা যার জন্য
একটা টোকাই কি পড়ে ঈদ করলো,
তার চেয়ে আমার পোশাকের
কয়টা ডিজাইন
করা ক্যাটালগ,ওয়ান
পিস এক্সক্লুসিভ জামা সেই
দিকেই
আমাদের মনোযোগ বেশী!
অথচ, ঈদ রমজানের মুল আবেদনই আনন্দ
আর দুঃখ ভাগাভাগি!
রোজা শেখায় অনাহারীর দুঃখ
ভাগ করা, আর ঈদ শেখায় ধনীর
আনন্দ
গরীবের সাথে ভাগ করা।
মজার ব্যাপার হোল, ফেবুতে এইসব
পেইজের বিজ্ঞাপন দেখে মানুষ
অস্থির হয়ে যায়। ঐ যে, সুস্মিতার
ঐ
ক্যাটালগ ড্রেস টা চাই, আরও
আছে পাখি ড্রেস,
প্রীতি জিন্তা সহ অনেক
নায়িকাদের পড়া নাম
না জানা ড্রেস।
এই ক্যাটালগ, আর এক্সক্লুসিভ
জামা খুঁজতে খুঁজতে অনেকে রমজানের
এই গুরুত্বপূর্ণ সময়গুলো নষ্ট করছে। আর
আমাদের মেয়েদের পোশাক পছন্দ
চাট্টিখানি কথা নয়। যতোই
দেখা হয়, ততোই দেখার
চাহিদা বাড়ে।১০
টা জামা দেখে যে একটা জামা কিনতে পারেনা,
১০০ টা দেখেও কিনতে পারার
কথা নয়। যেমন কথায় আছে- যার ৯ এ
হয়না তার ৯০ এও হয়না!
অথচ, জামাই যদি মার্কেট
থেকে একটা কিনে এনে দেয়,
সেটাই সুন্দর লাগে, সেটাই
পড়া হয়।
সেটাই এক্সক্লুসিভ হয়!
এই ক্যাটালগ ভূতের শিকার আমার
ছাত্রী জামা কিনতে সেদিন ৫
টা মার্কেটে গেলো।
বেচারি খুবই দুঃখ পেয়েছে।
সে জানতো এগুলো খুবই
এক্সক্লুসিভ!
কিন্তু মার্কেট নাকি এসব
ইন্ডিয়ান
ড্রেসে সয়লাব! কোন জামা পছন্দ
হোল না তার!
এরপর একটা কিনে আনল। কিন্তু
বাসায় পড়ার পর জামার
উপরে মডেলের ছবির
মতো লাগলো না! কোন এক
বিচিত্র
কারনে এগুলো নায়িকাদের
গায়েই মানায়, অনেক সুন্দর লাগে!
পাখি ড্রেসের মূল্য ২ হাজার ৫০০
টাকা থেকে শুরু করে ৮ হাজার
টাকা পর্যন্ত!!
প্রিয় বঙ্গ ললনারা, যতোই ঐসব
ক্যাটালগ ড্রেস পড়েন,
আপনি কোনদিনই # প্রীতি
জিন্তা,
# সুস্মিতাদের মতো হতে পারবেন
না, আপনাকে হয়তো সেই কথিত
সুন্দর ও লাগবে না। কারন, আপনার
দেহ বিজ্ঞাপনের জন্য
তৈরি করে নেন নি!
এই দুনিয়ায় সবচেয়ে বড় ক্যাটালগ
আপনি ই! কারন আল্লাহ
আপনাকে ৭০০ কোটি মানুষের
মধ্যে আপনি হিসেবেই অনন্য
করে সৃষ্টি করেছেন। একটু কথিত
সুন্দর
লাগার জন্য তাহলে মিছে কেন
মরিয়া হয়ে ঘোরা!// *
সাফওয়ানা জেরিন [women xpress]
*
অশ্লিলতার দিক
থেকে বাংলাদেশের
মেয়েরা কি সানি লিওনের
থেকে পিছিয়ে?
আমার তো মনে হয় এক ধাপ
এগিয়ে!!
গত ৩ দিন সাভারে ছিলাম।
জিরানী থেকে অটো দিয়ে একটু
সামনে যাচ্ছিলাম। আমি অটো র
পেছনে বসে what's app এ চ্যাট
করছিলাম।
২মিনিট পর আরেকটি লোক আমার
পাশে উঠলো।
আরেকটু সামনে গিয়ে আবার
অটো থামলো।
দুটি ললনা উঠে বসল!!
একদম মুখোমুখী!!! অসম্ভব ফর্সা,
সুন্দরী, কিছুটা সাস্থবতীও বটে!
টিনএজার।
গায়ে হলদে কালারের
একটা ড্রেস। (পাখি ড্রেস!)
নামমাত্র একটি ওড়না গলায়
ঝুলানো।
ড্রেসটি এত পাতলা, ভিতরের
হলদে কালারের ব্রা'টি স্পষ্ট
দেখা যাচ্ছিল! রাস্তায় জ্যম এর
কারনে অটো রাস্তার
কিনারা দিয়ে যাচ্ছিলো।
অটো ঝাকুনিও খাচ্ছিলো বেশ!!
ঝাকুনিতে বুকের উর্ধাংশ প্রায়ই
বের হয়ে আসছিল!
মাথা নিচু করে পাশের লোক টার
মুখের দিকে তাকালাম। উনার
দৃষ্টি মেয়েটির বুকের দিকে।
চোখে মুখে এক ধরনের লোলুপ
দৃষ্টি।
মাথা নিচু করে থাকলাম আমি।
মেয়ের শরীরের উগ্র পারফিউমের
গন্ধ মাঝে মধ্যেই আমার বিক্ষিপ্ত
ভাবনাগুলোকে এলোমেলো করে দিচ্ছিল।
আসলে সমাজে যৌনতা, অনাচার,
ধর্ষন, এগুলোর জন্য দায়ী কারা?
ছেলেরা নাকি মেয়েরা?
কোন বেয়াদপ,
বখাটে ছেলে সত্যিই যদি এই
মেয়েটিকে ধষর্ন করে বসে!
তবে দোষী কে হবে?
ছেলেটি নাকি মেয়েটি?
কনফিউজড...............!!
(বিঃদ্রঃ পাখি ড্রেস,
'বুঝে না সে বুঝে না ' নামক স্টার
জলসার এক সিরিয়াল এর
অভিনেত্রীর পোষাক!)
বোন একবার ভেবে দেখো!
কি লাভ হবে তোমার এই ড্রেস
কিনে?
ভালো ড্রেস পড়লেই আধুনিক
মেয়ে হওয়া যায়?
আধুনিকতা কি ড্রেস আর ফেইস
কাডিং এর মাধ্যমে প্রমান হয়?
আধুনিকতা কি কোন বস্তু?
একমাত্র মানুষের মন ই আধুনিক
হতে পারে। তুমি বলতে পারো,
আমি একজন আধুনিক মনের মানুষ!
কিন্তু এ তো,
আধুনিকতার নামে নগ্নতা প্রকাশ
হচ্ছে!!
তুমি আজ, স্টার জলসার সিরিয়াল
দেখে। সেই নাটকে কোন
একজনের চরিত্রে সে যে ড্রেস
পরিধান করেছিলো তার অনুকরণ
করে সেইম ড্রেস পড়ছ??
এটাই তোমার ধর্মের
রীতিনীতি??
ইব্লিসি অনুকরণ কি শেখায়
তোমাকে?
আধুনিকতা না নগ্নতা??
তুমি আজ যে সকল সিরিয়াল
দেখে মুগ্ধ হয়ে বার বার
সেগুলি দেখছ!! এ
থেকে শয়তানি শিখছো!!
এইগুলি তো তোমার ইবাদত তাই
না?
তুমি আজ ২,৫০০-৮,০০০
টাকা দিয়ে একটি পাখি ড্রেস
কিনে পরিধান করার
প্রস্তুতি নিচ্ছো!
তুমি কি দেখতে পাও না,
রাস্তায় অবহেলিত শিশুদের?
যারা কিনা দৈনিক দু'মুঠো অন্য
যোগার করতে পারে না!?
হুহ!! ঈদ মুসলিম দের জন্য খুশির দিন।
এই সব অবহেলিত শিশুদের
কি ইচ্ছা করে না, ঈদের
দিনে আমরাও সবার মত
ভালো পোষাক পরে সাজগোজ
করে ঘুরে বেড়াই?
অবশ্যই ইচ্ছা হয়!
কিন্তু তারা সেই পোষাক
কিনতে সক্ষম না। তাদের
আশা টা 'বামনের চাঁদ ধরার মত'
হয়েছে শুধু মাত্র এই সকল
# অসুস্থ_মস্তিস্কের_উচ্চবিত্তদের_জন্য
!
Star Jalsha শিক্ষা দেয় অহংকার,
হিংসা, বিদ্ধেষ সহ আরো অনেক
কিছু৷
এটা দেখে তোমরা কি শিখছে?
এটা তোমাদেরকে শেখাচ্ছে একটা পরিবারের
যে কোন একজন ভীলেন
হবেই৷
সে হোক বাবা কিংবা মা,
পিসী কিংবা মাসী৷
অথবা বাইরের তৃতীয়
কোনো ব্যক্তি।
আর যার কারনেই তৈরি হয়
ঐশিদের মত
অপয়া মাতৃঘাতি কন্যা৷
নতুবা, নাটোরের ৩ কিশোরীর
মতো মেয়ে৷
যারা কিনা 'টাপুর টুপুর' নাটক
দেখে 'রাতুল মাস্টার' হবার
প্রত্যয়ে ঘর
ছেড়েছিল৷
না হয়, সিরাজগঞ্জের রেখার মত
মেয়ে৷ যে কিনা 'টাপুর টুপুর' নাটক
না দেখতে পেরে ফাঁসি দিয়ে আত্মহত্যা করেছিল৷
অথবা, তৈরী হয়
মৌলভীবাজারের সিরাজ
মিয়ার মত স্বামী৷ যে কিনা 'আঁচল'
নাটক দেখাকে কেন্দ্র
করে নিজের বউয়ের মাথায়
টিভি ভেঙ্গেছিলো৷
পরে বউ মারা যায়৷ কোন
মানসিকভাবে সুষ্থ মানুষ কি এই
সমস্ত নাটক
দেখতে পারে???
ওকে, তুমি তোমার পরমাত্মীয়ের
বিধান লংঘন করে শয়তান
কে খুশি করার জন্য
নগ্নতাকে প্রশ্রয় দিচ্ছ?
তাহলে ভয় কর সেই দিন কে,
যে দিনে কেউ
কারো কাজে আসবে না।
বিঃদ্রঃ পাখি ড্রেস আমি প্রথম
দেখি আমামার দুলাভাই এর
দোকানে। ধামরাই এ
একটা টেইলার্স এর মালিক।
গান বাজনা কি এতই খারাপ?
By : Maruf Al Beruneeগান-বাজনা কি এতই খারাপ
-Sharif Abu Hayat apu
আপু,
ছোট্ট একটা বাচ্চা, বয়স দুই কি তিন, বীরদর্পে হাটা দিল রাস্তা পার হবে বলে। তুমি পিছন থেকে ধরে ফেললে। সে যতই দাবী করুক সে সব গাড়ি চেনে এবং সে দেখেশুনে পার হতে পারবে তুমি কি তাকে ছেড়ে দেবে? সে এবার যদি বলে রাস্তা তো পার হবার জন্যেই তবুও কি তুমি তাকে ছেড়ে দেবে? আমি হলে ছাড়তামনা। কারণ হয়ত সে পার হতেও পারে কিন্তু সম্ভাবনা বেশি যে সে পড়ে যাবে বা খুব জোরে চলা একটা ট্রাকের সাথে ধাক্কা খাবে। এমনও হতে পারে বাচ্চাটাকে বাচাঁতে গিয়ে একটা গাড়ি হার্ডব্রেক করলো আর সেটা উলটে গেল। ব্যস্ত রাস্তা হলে তো কথাই নেই সেটাকে পিছন থেকে আরো কয়েকটা গাড়ি ধাক্কা মারবে। এ সব কিছুই যে হবে এমন কথা নেই কিন্তু হওয়ার সম্ভাবনা বেশি কারণ দু’তিন বছরের একটা শিশুর নিজের উপর নিয়ন্ত্রণ নেই। সে যতই দাবী করুক তার সামর্থ্যের কথা - আসলে তার সেটা নেই এবং সে সেটা জানেনা। আমরা মানুষেরা আসলে এই ছোট্ট বাচ্চাটার মত আমরা ভাবি আমরা জানি আমাদের জন্য কি ভাল; আসলে জানিনা।
সুর আসলে কি? খেয়াল করলে দেখা যাবে এটা আসলে সা, রে, গা, মা, পা, ধা, নি - এ সাতটা নোটের অসংখ্য পারমুটেশন-কম্বিনেশন। কিভাবে সাজালে এটা মনকে ছুঁয়ে যাবে তা খুব মেধাবী কিছু মানুষের বিমূর্ত সৃষ্টি। এটা কিন্তু টেইলর-মেড, এমনভাবে ডিজাইন করা যেন তা মানুষের মনে দাগ ফেলে, তাকে আলোড়িত করে। কিন্তু প্রাকৃতিক সুর যেমন ঝর্ণার শব্দ বা পাখির ডাক কিন্তু মানুষকে মুগ্ধ করে কিন্তু মনকে ঘন্টার পর ঘন্টা ভুলিয়ে রাখেনা। এই সুর মানুষের আত্মার জন্য সেই কাজ করে যা মদ শরীরের জন্য করে, সেটা হল ভুলিয়ে রাখা। গান-বাজনা মানুষকে সেই অমোঘ সত্যটা ভুলিয়ে রাখে যে এই পৃথিবীর সময় খুব কম, একে ছেড়ে আমাদের চলে যেতে হবে অন্য ধামে। আর সেখানে ভাল থাকার জন্য আমাদের অনেক কিছু করতে হবে - জানতে হবে, শিখতে হবে, মানতে হবে। কিন্তু কাউকে যদি ভুলিয়ে রাখা যায় সেই অবধারিত সত্য সম্পর্কে তবে সে না সতর্ক হবে না তার উচিত কাজগুলো সে করবে। তুমিই বল গান আর ক্বুরান কি এক সাথে শোনা যায়? কোন গানের অনুষ্ঠানের শুরুতে কি কেউ ক্বুরান তিলাওয়াত করে? তোমাকে আল্লাহর বাণী ক্বুরান থেকে দূরে রাখার জন্যই যে নিত্য-নতুন সুর আবিষ্কৃত হয় তা কি তুমি বোঝনা? এক মিউজিক তুমি কতবার শুনতে পারবে - কয়েকশ বার? হাজারবার? তারপর তুমি বীতশ্রদ্ধ হয়ে যাবে। তোমার মন নতুন কম্বিনেশন খুঁজবে। তোমার অসম্ভব প্রিয় সুরটি তোমার অসহ্য লাগবে। অথচ তুমি কি জান সুরা ফাতিহা একজন মানুষ শুধু ফরজ নামাজেই ১৭ বার পড়ে, নফল মিলিয়ে তা ৩০ ছাড়িয়ে যায়। এটা সে ৩৬৫ দিন পড়ে, বছরের পর বছর পড়ে, তাও কিন্তু বিরক্তি আসেনা - একি নেহায়েত কাকতালীয় ব্যাপার?
মজার ব্যাপার হল নেশার যেমন স্তর বাড়ে সুরের ক্ষেত্রেও তাই। যে সিগারেট দিয়ে শুরু করে সে গাঁজা, চরস, কোকেইন, হিরোইন ধরে। মাদকের মানও বাড়ে, মাত্রাও। ঠিক তেমনি তুমি যদি ওয়ার্ল্ড মিউজিকের ক্রমবিবর্তন দেখ তাহলে দেখবে সুর শেষ হয়েছে অসুরে (ডেথ, থ্র্যাশ, ব্ল্যাক, স্লাজ মেটাল) আর ভালোবাসা শেষ হয়েছে ঘৃণা আর উন্মাদনায়। হালের ইংরেজি ব্যান্ডের গানগুলোর মধ্যে ধ্বংস, ধর্ষণ আর ধর্মহীনতার কেতন ওড়ে। এরা আল্লাহকে অস্বীকার করে কিন্তু শয়তানকে পূজা করে, অনুকরণ করে। শয়তানকে গানের কথায় ধারণ করে, স্টেজের অঙ্গভঙ্গীতে, মিউজিক ভিডিওগুলোতে, এলবামের কাভারে, পরণের গেঞ্জিতে, মুখের মুখোশে। এনিগমা থেকে শুরু করে আয়রন মেইডেন, ব্ল্যাক সাবাথ, লেড যেপেলিন... আর কত বলব?
বিলাস, ব্যভিচার, মাদক কিন্তু সঙ্গীতের হাত ধরে আসে। তুমি কি কখনো তোমার বাবাকে বলতে পারবে - “I want a double boom…. Together in my room”? অথচ এমটিভিতে এগান শুনতে শুনতে তুমি সেই গায়িকার উদ্দাম নাচ দেখছ, তোমার বাবাও হয়ত দেখছে, কেউ কিছু মনে করছে না। খুব বেশি লজ্জা লাগলে তুমি এক টিভিতে দেখছ, তোমার বাবার টিভি অন্য ঘরে। তোমাকে কি কেউ বলতে সাহস পাবে - “আসো আমার ঘরে, আমরা ঘরের দরজা বন্ধ করে রাত কাটাই” ? জেমস কিন্ত বলছে “চাল চালে আপনি ঘর” তুমি শুনছ, সুরের তালে তালে মাথা দুলাচ্ছ। কত নোংরা একটা কথা সুন্দর সুরে গিটার বাজিয়ে বলায় তোমার কত ভালো লাগছে! তোমার স্কুল পড়ুয়া ছোট বোনটি কি কখনো তোমার সামনে অন্য কোন ছেলেকে বলতে সাহস পাবে “আসো আমার শরীরে হাত দাও, আমাকে চুমু খাও” ? অথচ সেই মেয়েটি যখন গায়ে হলুদের অনুষ্ঠানে নাচের তালে তালে দশটা ছেলের দিকে তাকিয়ে গাইছে “যারা যারা টাচ মি টাচ মি, কিস মি কিস মি” তুমি খুশিতে হাততালি দিচ্ছ।
তুমি দাবি করতে পার তুমি ক্লাসিকাল গান শোন, এ সব গা-গরম গান তোমার ভালো লাগেনা। তুমি না হয় উতরে গেলে কিন্তু তোমার ভবিষ্যত প্রজন্ম? আমার বোন রবীন্দ্র শোনে সবসময় কিন্তু ভাগ্নে শোনে রিহানা! তুমি যদি বাঁধে ছোট একটা গর্ত করে অল্প পানি আসতে দাও তবে সেই ছোট্ট ছিদ্র কিন্তু ছোট্ট থাকবেনা, বড় হবে। যে বাধঁ ভাঙার আওয়াজ আজ চারদিকে পাওয়া যায় তার শুরু কিন্তু ছোট্ট একটা ফাটল দিয়েই।
পঞ্চাশের দশকে সারা পৃথিবীতে বছরে যে ক’টা এলবাম বের হত আজ শুধু বাংলাদেশেই তার চেয়ে বেশি বের হয়। পঞ্চাশের দশকে সারা পৃথিবীতে বছরে যে ক’টা রেপ হত আজ শুধু বাংলাদেশেই তার চেয়ে অনেক বেশি হয়।
শিল্প-সংষ্কৃতি অনেক এগিয়েছে, মানুষের মানসিকতা? জগজিত সিং-এর কন্সার্টের টিকিট বিক্রি হয় ১০,০০০ টাকায়। সেইসময় কুড়িগ্রামে একটা মেয়ে না খেতে পেয়ে গলায় দড়ি দেয়। এই ১০,০০০ টাকার মধ্যে কি সেই মেয়েটাকে শুষে খাওয়া টাকা নেই?
প্রযুক্তির কল্যাণে সুর ছড়িয়ে পড়েছে, তবে অসুরই বেশি। ললিতকলা মানুষকে বন্য করেছে, সভ্য করেনি। প্যারিস হিলটনকে কি তোমার সভ্য মনে হয়? ম্যাডোনাকে? ব্রিটনি স্পিয়ার্স? তোমার ভাই এল্টন জনের চমৎকার অনুকরণ করতে পারে, সে যে শুধু গানই নিয়েছে সেক্সুয়াল ওরিয়েন্টেশন নেয়নি কিভাবে নিশ্চিত হলে?
তুমি বলতে পারো এগুলো বাণিজ্যিকধারার গান। কিন্তু একটা জিনিসের বাণিজ্যিকিকরণ কখন হয়? যখন তা অনেক মানুষ কেনে। “সোনা বন্ধু তুই আমারে ভোঁতা দা দিয়া কাইট্যালা” টাইপের গান শুনে আর ভিডিও দেখে তৈরি হয় ঐ সব নরপশু যারা তিন বছরের বাচ্চাকেও রেহাই দেয়না। আমরা মুখ ফুটে কখনো এদের বাঁধা দিইনি। এই নোংরা বাণিজ্যিকিকরণের দায় তো আমাদের সুশীল সঙ্গীতের উপরেও বর্তায়, তাই নয় কি? তুমি হয়তো বলতে পারো রাগ ভৈরবীর তবলার বোল শুনে তোমার আত্মিক উন্নতি হয়। কিন্তু আমার যে সেই বোলের সাথে একজন নাচনেওয়ালীর কোমর দুলানো দেখতে ইচ্ছে করে। সপ্তাহখানেক পর সেই কোমর ধরে দেখতে ইচ্ছে করে। আর এই সমাজে আমার মত লোকই যে বেশি। বিশ্বাস করলে না? সুনীলের “সেই সময়” পড়ে দেখতে পার। আমাদের আজকের সমাজের সুপারস্টার বাঈজীদের উদ্ভব হল কিভাবে জানতে পারবে।
তুমি যদি ধর্মগুলোর মধ্যে Corruption pattern খেয়াল করে তাহলে দেখবে হিন্দুদের খোল-করতাল দিয়ে কীর্তন, খ্রিষ্টানদের পিয়ানো-গিটার দিয়ে ক্রিসমাস ক্যারল আর বাউলদের ঢোল-দোতারা দিয়ে মুর্শিদী গান সবগুলোতেই সঙ্গত-সহ-সঙ্গীতকে উপাসনার স্ট্যাটাস দেয়া হয়েছে। আমরা এখন গানের সুরে মিলাদ করি। বাদ্যযন্ত্র যে হারাম এই বোধটা আমাদের ভিতর থেকে চলে গেলে আমাদের মসজিদগুলোতে দেখবে বাঁশি বাজিয়ে ডাকছে কিংবা হারমোনিয়াম বাজিয়ে মিলাদ। ওরা কি বলবে জানো? আমরা তো খারাপ কিছু করছিনা, আল্লাহর গুণগান করছি।
আল্লাহ যা সৃষ্টি করেছেন তার কোন কিছুই absolute evil নয়। সুর-বাদ্যযন্ত্রেরও ভাল দিক আছে, যেমন তা আমাদের ভাললাগার একটা আবেশ দেয়। কিন্তু এটা আমাদের বিশ্বাস যে ইসলামের নিষিদ্ধ করা জিনিসগুলো আমাদের যতটুকু ভালো করে, তারচেয়ে খারাপ করে অনেক বেশি। আর সে জন্যই আমাদের বৃহত্তর ভালোর কথা চিন্তা করে আল্লাহ আমাদের সেটা নিষেধ করেছেন। তুমি হয়তো সেই শ্রেণীর মধ্যে পড়না বাদ্যযন্ত্র যাদের পশুর শ্রেণীতে নামিয়ে দেয়। কিন্তু একবার যখন কোন জিনিস নিষিদ্ধ হয় তখন তা পুরো মানব জাতির জন্যেই হয় - কোন ব্যক্তি বিশেষের জন্য তার অনুমতি থাকেনা। কেউ শরিয়তি নিয়মের উর্ধে নয়। বেশিভাগ মানুষের ক্ষেত্রে সুর আর ধর্ম একসাথে চলেনা। গানের আসর থেকে উঠে গিয়ে নামায পড়তে দেখেছ কাউকে? শিল্পীদের? শ্রোতাদের?
তুমি ভাবতে পারো কেন তুমি অন্যদের আত্মনিয়ন্ত্রণের অভাবে শাস্তি পাবে? এটাই তো ইসলাম। তুমি তোমার ভালোলাগাকে আল্লাহর ভালোলাগার কাছে সঁপে দিলে। তোমার ইচ্ছেকে তাঁর ইচ্ছের অধীন করে দিলে। তুমি এই আশায় বুক বাঁধলে যা তুমি ছেড়েছ তার চেয়ে বহুগুণে তুমি ফেরত পাবে। একেই বলে আত্মসমর্পণ অর্থাৎ ইসলাম।
গান শোনা ইসলামে একদম হারাম তা বলা যাবেনা। মা শিশুকে গান গেয়ে ঘুম পাড়াতে পারে। স্ত্রী ভালোবেসে স্বামীকে গান শোনাবে তাতে দোষের কিছু নেই। ঈদ-বিয়ে ইত্যাদি পরবে ছোটরা গান গেতে পারে যাতে নোংরা কথা থাকবেনা, খুব বেশি বাজনা থাকবেনা।
কিন্তু আমাদের যে কথাটা মনে রাখতে হবে সৃজনশীলতা মানুষকে দেয়া আল্লাহর অনেক বড় দান। এ দিয়ে পরমাণু বিদ্যুত তৈরি হয়েছে বটে, হিরোশিমা-নাগাসাকিও কিন্তু এরই অবদান। মোজার্টের সৃজনশীলতায় কার কি উপকার হয়েছে জানিনা, ইবনুল কাইয়িমের লেখা পড়ে অনেক মানুষ তাদের বিশ্বাস রক্ষা করতে পেরেছে। যে সৃজনশীলতা ধ্বংসের পথ খুলে দেয় তাকে আমরা চাইনা। যে শিল্পের পরিণাম একটা কল্যাণ আর শত অকল্যাণ তা থেকে দূরে থাকাই ভালো।
মৃত্যুযন্ত্রণায় কাতর লোকটিকে জিজ্ঞেস করতে পারবে সে কন্সার্টে যাবে কিনা? আমরা সবাই কিন্তু দিনকে দিন মৃত্যুর দিকে এগুচ্ছি। ওর সময় হয়ে এল বলে। আর আমাদেরটা আমরা জানিনা। যদি মরণকে সত্যি মানো তবে এমন কিছু করো যা মরণের পরেও কাজে আসবে। আর সেগুলো করতে গেলে দেখবে সময় কত কম। সময় আসলেই কম।
দীর্ঘ দিনের ফেসবুক ব্যবহার
By : Maruf Al Beruneeদীর্ঘ দিনের ফেসবুক ব্যবহার.
-- Elora Zaman
কঠিন পৃথিবী আর অমায়িক ফেইসবুক। আমাদের জীবনে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে গিয়েছে এই আজব জিনিস। সে দিয়েছে অনেক। নিয়েছে তার চাইতেও বেশি। আগে নেয়াটার কথাই বলি। মধ্যবিত্ত জীবনের চিরাচরিত নেগেটিভ চিন্তা ভাবনা। কি করব?আমি অতি মূর্খ অভাজন। গরিবী সেইসব টিপিক্যাল চিন্তাভাবনা থেকে আজও বেরোতে পারিনি। হাই লেভেলের আধুনিক মানুষদের মত করে ভাবতে পারিনা। উদার হতে পারিনা অতটা। কোথায় যেন এক প্রকারের চির মূর্খতা আজও কাজ করে ভেতরে।
ফেইসবুক জীবন থেকে নিয়েছে অনেকখানি সময়, অনেকেরই। নেশার মত। এই মাদকতায় ডুবে গিয়ে অনেকে বুঝেছে তারা কতটুকু নিঃসঙ্গ। ভেঙ্গেছে অনেক ঘর। মানুষ স্যাক্রিফাইস করতে ভুলে গিয়েছে। রাগ, অভমান, হিংসা, ক্ষোভ, মানবতা, ভালোবাসা এইসবের দমন করেছে ফেইসবুকে। বাইরের পৃথিবী থেকে সে নিজেকে আলাদা করে ফেলেছে নিজেরই অজান্তে। পরিবারের সাথে একসাথে বসে খাওয়া, সময় কাটানো কমে গিয়েছে। অপরিচিত এইসব মানুষদের ভালো লাগতে শুরু করেছে। একধরনের মনস্তাত্ত্বিক যুদ্ধে সে জড়িয়ে পড়তে পছন্দ করেছে। জানে যদিও সবই অর্থহীন।
আবার এই সর্বনাশা কুলাঙ্গার ফেইসবুক আমাদের মত মানসিকভাবে হতদরীদ্র মানুষদের দিয়েছেও অনেক। আমরা আত্মন্নয়ন শিখেছি। একটা ফেইক আইডির সাথেও ভালো ব্যাবহার করতে শিখেছি। অথবা সামনাসামনি যাকে গালি দেয়া সম্ভব হতনা কস্মিনকালেও তাকে হরদম বকে যাচ্ছি। বিভিন্ন বয়সের বিচিত্র মানুষদের সাথে হরদম তাল মিলিয়ে চলে যাচ্ছি হামেশা। আপনি ৫০০০ মানুষের সামনে নিজের বক্তব্য তুলে ধরছেন লাউডলি। অথচ বাস্তব জীবনে যদি আপনাকে একটি মঞ্চে দাড় করিয়ে দিয়ে বলা হত, 'এবার বল তুমি কি বলতে চাও'। আপনি নিশ্চিতভাবেই ঘেমে নেয়ে উঠতেন।
মানুষেরা তাদের ভালবাসা ঘৃণা এইসবের অবদমন করতে চায় এই নিষ্প্রাণ ফেইসবুকের পাতায়। সকলে গ্রহন করে নেয়। যে দমন করছে তার তৃপ্তি ঘটে। ১৬ ইঞ্চি মনিটরে হাজার মানুষের দুঃখ গাঁথা, বিলাপ, অসহায়ত্ব, কান্না, অতৃপ্তি, ভালোবাসা, রাগ, উন্মাদনা, হিংসা সবকিছু মিলে মিশে একাকার। অনেকে এই ভার্চুয়াল জীবনে পেয়ে যায় অনেক কিছু, অনেকে হারায় অনেক। অনেকে কিছুই না পেয়ে কিংবা হারিয়ে ভাবে, আসলেই কি এর দরকার ছিলো? অনেকে জনসচেতনতার জন্য ব্যাবহার করে এর। অনেকে সময় কাটায়। অনেকে জীবন দেখে নেয়। পুরো একজীবন।
অনেকদিন যাবত এই ফেইসবুক ব্যাবহার করবার পর আজ শেষ পর্যন্ত মনে হচ্ছে এই কি আশীর্বাদ না অভশাপ? বাইরের পৃথিবী অনেক কঠিন কিন্তু এই ফেইসবুক কি সত্যিই অমায়িক?
বিশ্বময় বাবা আদম ও মা হাওয়ার নির্যাতিত, শোষিত ও অত্যাচারিত নর, নারী, যুবক, কিশোর ও শিশুরা - তোমাদের চূড়ান্ত বিজয় ও মুক্তির সুসংবাদ।
By : Maruf Al Beruneeআদম সন্তান নর-নারীর মধ্যে কোনো বৈষম্য নেই। কিন্তু বৈশিষ্ট অবশ্যই আছে।
শয়তানের জারজ সন্তানেরা নারী-পুরুষের বৈশিষ্ট মানেনা।এরা বিশ্বে জাতি-গোষ্ঠির নামে সন্ত্রাস সৃষ্টি করে ধরার স্বর্গকে নরকে রূপান্তরিত করেছে।
নারী-পুরুষের স্বেচ্ছাচারী যৌনাচার দিয়ে এরা এইড্স্, এইচ,আই,ভির ঘাতক মহামারী সৃষ্টি করে মানবজাতিকে গ্রাস করতে দৈত্য-দানবের রূপ ধারণ করেছে।
ঘর ও সংসার ভাঙ্গা নারীদের পেছনে কুকুরের মতো ধাবিত পুরুষরা এ ধ্বংস যজ্ঞের মাতা-পিতা।
এখনো এ বেশ্যা নারী ও নরদের সংখ্যা সুশীলদের তুলনায় নগন্য। কিন্তু এরা সরকার ও প্রচার মাধ্যম প্রায় দখল করে নিয়েছে। তা সত্বেও এদের স্বর্গীয় পারিবারিক জীবন নেই বলে এরা প্রায় ভাসমান বেশ্যা।
বাংলাদেশের সংসদ ভবনের ভেতরে বাইরে, উত্তর দক্ষিন প্লাজা, চন্দ্রিমা উদ্যান, রমনা পার্ক ও সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ছাড়াও নব্য প্রপার্টি ডেভলপারদের নির্মিত, ধানমন্ডি, গুলশান,বনানী,বারিধারা ও ডিওএইচএস্ এবং উত্তরার বহুতল ভবন প্লাজাগুলো বাংলাদেশের দেহে ক্যান্সার। একে এ মুহুর্তে নির্মূল করতে হবে।ইতমধ্যেই প্রমানিত হয়েছে যে, দেশের দূর্নীতিপরায়ণ শাসক ও আমলারা জাতীয় সম্পদের ৩৬ হাযার কোটি টাকা প্লাজাগুলোতে ফ্ল্যাট নির্মাণে বাৎসরিক বিনিয়োগ করছে।
বিলাস বহুল বাড়ীও ফ্ল্যাট ভাড়া হলে তাতে দেহ ভাড়া হবেই। দেহ ভাড়া নারী ও নরকে বেশ্যা বানায়। বাড়ী ভাড়া বাড়ীকে বেশ্যালয়ে রূপান্তরিত করে।“হোটেল ব্রোথেল” এর তা থেকে জন্ম।
“বাড়ী বাসের জন্য”,“জমি চাষের জন্য”। বাড়ী কখনো ভাড়ার জন্য নয়। জমিও জমিদারী, জোতদারীর নিমিত্ত¡ নয়।জমি যে চাষ করবে, তার। বাড়ী যে বাস করবে, তার। দেহ ভাড়া নাই, বাড়ী ভাড়া নাই ও জমি ভাড়া নাই।
“আল আরদু লিলাহি, ওয়া লিমান আহ্ইয়াহা”। জমি আলাহ্র ও যে চাষ করবে, তার। “আল বাইতু লিসাকিনিহি”।
বাড়ী বসবাসকারীদের জন্য। ভাড়ার জন্য নয়।
“আল্ মান্যিলু ইয়াখ্দিমুহু আহলুহু”। বাড়ীর কাজ বাড়ীর লোকেরা করবে। চাকর-বাকর, ঝি-বুয়ারা করবেনা। অর্থ পুঁজি ভাড়া হবেনা।পুঁজি ভাড়াই সূদ। পুঁজি ভাড়া দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি ও সকল শোষণের মা।সাধারণ ব্যাংক ব্যবসায়ীরা আপন মায়ের সাথে ব্যভিচারী । ইসলামের নামে ব্যাংক ব্যবসায়ীরা কাবা ঘরের ছাদে মায়ের সাথে ব্যভিচারকারী। সঞ্চয়পত্র সহ প্রাইজ বন্ড ও ব্যাংকে অর্থ রেখে তার সূদ খায়, সূদের লেনদেন করে, তারা ন্যুন ৩৬টি ব্যভিচারে লিপ্ত।(রাসূল সঃ মাসনাদে আহমাদ,খন্ড-৫,পৃষ্ঠা-২২৫)
দেশে বেতনভূক সরকার থাকবেনা, যেমন পরিবারে বেতনভূক পিতা-মাতা ও স্বামী-স্ত্রী হয়না। হলেই সবাই বেশ্যা হয়ে যায়।
মূলধণের জাকাত ও লভ্যাংশের এক পঞ্চমাংশ ব্যতীত কোনো কর ও ট্যাক্স থাকবেনা। তবেই সম্পদের সুসম বন্টন হয়ে দারিদ্র্য বিমোচন হবে।
বিশ্বের শোষিত নর-নারী, যুবক কিশোররা, তোমরা স্রষ্টার কোলে তাঁর বিধানে প্রত্যাবর্তন করো। অচিরেই বিশ্ব শোষণের টুইন টাওয়ার যেভাবে ধ্বংস হয়েছে, ঠিক সেভাবেই বিশ্ব সন্ত্রাসের জমজ ভাই বুশ-বিন লাদেনের চক্রের পতন হবে।
আহবানে:ইমামুদ্দীন মুহাম্মাদ তোয়াহা বিন হাবীব।