Popular Post

জীবন যাপন, ধাপে ধাপে (Step by Step)

By : Maruf Al Berunee
আমরা নাটক দেখি – দীর্ঘ দিনের রিহার্সাল দেখি না, আমরা পুরষ্কার দেখি – পুরস্কার পাওয়ার জন্যে যে অধ্যবসায়ের পথ, তা দেখি না। আমরা যে শিখরে পৌঁছে গেছে – তাঁকে দেখি, যারা শিখরের পথেই রয়ে যায় তাদের দেখি না। আমরা পরীক্ষার রেজাল্ট দেখি, দীর্ঘ দিনের অধ্যবসায় দেখি না। আমরা গন্ত্যব্যে পৌঁছনোর উদ্বেগে পথের সৌন্দর্যে চোখ রাখতে ভুলে যাই, যে পাহাড়ের চূড়ায় পৌঁছে গেল – তাঁকে দেখে, তার সাফল্য দেখে ভুলে যাই, কিংবা দেখতে জানিই না, যে – সে কতো পাহাড় নদী, সেতু, কত মরুভূমি অতিক্রম করে ধাপে ধাপে পাহাড় চূড়ায় পৌঁছেছে। আর সাফল্যের পর্দার পেছনের গল্পটা আমাদের কাছে অজানাই থেকে যায় – আর সেই না জানাটাই হয়তো আমাদের অনেকেই বিষণ্ণ করে, হতাশ করে। কোথায় যেন, কঠিন বাস্তবের সঙ্গে আমাদের কল্পনার সমস্ত চাহিদা গুলোর মধ্যে খুবই দূরত্ব তৈরি হয়ে যায়, তাই কখনো কখনো প্রতিদিনের বাস্তব জীবন যাপন খুবই কঠিন বলে মনে হয়, অনেক কিছুই কঠিন বলে মনে হয়। অথচ, জীবন মানে কি শুধুই জিতে যাওয়ার নাম? লড়াই করার নাম নয়? ধাপে ধাপে, পায়ে পায়ে পথ চলার নাম নয়? সমস্যার সমাধান করা নয়? কেন ভুলে যাই, জীবনের পথে হাজার হাজার মাইল পথ অতিক্রম করতে এক ধাপ দুই ধাপ করেই পদক্ষেপ ফেলতে হয়, ছোট্ট ছোট্ট সমস্যার সমাধান করেই এগিয়ে যেতে হয়। আর সেই ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপই যখন এক দিন, এক সঙ্গে গুণে দেখা হবে – দেখা যাবে এক দীর্ঘ পথ। আশির দশকে আমেরিকান এয়ারলাইন্স যখন ঘাটায় চলছিল, এয়ারলাইন্সের হেড ছিলেন – Robert Crandall , তিনি গুণে দেখলেন – বিজনেস ক্লাস যাত্রীদের লাঞ্চের স্যালাড থেকে, যদি শুধু মাত্র একটা অলিভ সরিয়ে দেওয়া যায়, কেউই বুঝতে পারবে না, আর এতে কোম্পানি একশো হাজার ডলার লাভ করতে পারবে – হয়েও ছিল তাই। আর, ঐ একটা অলিভই কিন্তু আমেরিকান এয়ারলাইন্সকে দেউলিয়া হওয়ার পথ থেকে বাঁচিয়ে দিয়েছিল – তাই, প্রতিদিনের বেঁচে থাকার ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপ গুলোই জুড়ে দিয়েই আমাদের সম্পূর্ণ জীবন তৈরি হয় – হয়তো, কখনো সেই ছোট্ট পদক্ষেপের পথেও অনেক চড়াই উৎরাই আসে, কিন্তু, তা বলে পথ চলা থামিয়ে দিলে চলে না। মানুষের দুশ্চিন্তার বোঝা, কঠিন সমস্যার বোঝা যতই ভারী হোক না কেন – সেই বোঝা সহ ছোট্ট ছোট্ট পা ফেলে সূর্যাস্ত পর্যন্ত ঠিকই বয়ে নিয়ে যাওয়া যায়। তাই, মনে হয়, কখনো কখনো জীবন যখন কোন চমক দেয় না, সাফল্য দেয় না, জীবনকে বড়ই একঘেয়ে মনে হয়, প্রতিদিনের পুনরাবৃত্তি মনে হয় – দাঁতে দাঁত চেপে ছোট্ট ছোট্ট পদক্ষেপ নিতে হয়, জীবনের খেলাটাকে ধাপে ধাপে খেলে যেতে হয়। কে জানে, হয়তো, একটা ছোট্ট পদক্ষেপেই জীবন সম্পূর্ণ বাক নিয়ে আলোর মুখোমুখি হবে।

এক ব্যতিক্রম শিক্ষক এবং তার ব্যতিক্রমী প্রতিষ্ঠান

By : Maruf Al Berunee
সেই ২০০৪ সালের কথা। ২৭ বছরের যুবকটি এমআইটি থেকে মাত্র পড়াশোনা শেষ করে চাকুরীতে ঢুকেছেন। সারাদিন অফিস করেন- গবেষণা করেন। কিন্তু কেমন যেন একঘেয়েমি জীবন। বিয়ে করে বোস্টন শহরে ঘর বাঁধলেন। কিছুতেই পরিপূর্ণ স্বস্তি পাচ্ছেন না। সৃজনশীল মন শুধু ভেবেই চলে - নতুন কি করা যায়। একদিন মামার মুখে শুনলেন মামাতো বোন নাদিয়া গণিতে নাকি খুব কাঁচা। গণিতপ্রেমী এই যুবক বোনের গণিতের দায়িত্ব নিজের কাঁধেই নিয়ে নিলেন। নাদিয়ের সঙ্গে কথা বলে বুঝতে পারলেন, অঙ্ক কষে সময় নষ্ট করার চেয়ে অন্য কাজে সময় ব্যয় করতেই ভালো লাগে নাদিয়ার। গণিতের প্রতি অনাগ্রহের আরেকটা কারণ পাঠদান প্রক্রিয়া। অনেক ভেবে ভেবে গণিত শেখানোর নতুন নতুন কৌশল বের করলেন তিনি। কিছুদিনের মধ্যে ফল দেখতে পেলেন । নাদিয়া গণিতে যথেষ্ট আগ্রহী হয়ে উঠেছে। দেখা গেল অন্য কাজ ফেলে সারাদিন গণিতেই নিবিষ্ট নাদিয়া। এরই মধ্যে মামা সপরিবারে অন্য শহরে চলে গেলেন। কিন্তু নাদিয়ার গণিত শিক্ষা থামল না। যুবকটি টেলিফোনে - ইয়াহু ডুডল সফটওয়্যারের মাধ্যমে পাঠদান চালাতে থাকলেন। বিদ্যালয়ে ভালো ফলাফল করা শুরু করল নাদিয়া। নাদিয়ার সঙ্গে তাঁর দুই ভাই আরমান ও আলীকেও পড়ানো শুরু করলেন। পুরো ব্যাপারটা করে যাচ্ছিলেন নেশার মত। কিন্তু হঠাত করে দেখলেন টাইম মিলছে না। তিনি হয়তো চাকুরী থেকে ফিরলেন, ভাইবোন সব ব্যস্ত অন্য কাজে। আবার একই পাঠ অনেক সময় একবারের বেশী দিতে হচ্ছে। ভেবে ভেবে নতুন সমাধান বের করলেন। ভিডিও তৈরি করলেন। আপলোড দিলেন ইউটিউবে। এর মাধ্যমে সহজেই নাদিয়া ও তার দুই ভাই বাড়ীতে বসেই গণিতের লেসন গুলো পেয়ে যাবে। কিছুদিন পর লক্ষ্য করলেন, শুধু তার ভাইবোন না অনেকেই তার ভিডিও দেখা শুরু করেছে। অল্পদিনের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে গেলেন তিনি। এই জনপ্রিয়তা এতই বাড়ল যে, এক পর্যায়ে তিনি এক দুঃসাহসীক সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেললেন। নটা-পাঁচটার নিয়মিত চাকরী ছেড়ে দিয়ে অনলাইন ফ্রি টিউটোরিয়াল বানানোকেই ফুলটাইম কাজ হিসেবে নিয়ে নিলেন। নিয়মিত কিছুকিছু করে তৈরি করতে করতে আজ পর্যন্ত ১৮০০+ টিউটোরিয়াল একদম একাএকাই তৈরি করে ফেললেন। প্রতিষ্ঠা করলেন "খান একাডেমী"। সালমান আমির খান সালমান আমির খান হ্যাঁ আমি খান একাডেমী এর প্রতিষ্ঠাতা সালমান আমির খানের কথাই বলছিলাম। ৩ ভাইবোনের জন্য তৈরি পাঠদানের পদ্ধতি আজ কেবল ইউটিউবেই ১৩ লক্ষ মানুষ সাবস্ক্রাইব করে নিয়মিত দেখছে। ২০১৩ এর মে মাস পর্যন্ত পাওয়া তথ্য অনুযায়ী খান একাডেমীর ভিডিওগুলো ইউটিউবে মোট ৩০ কোটিবার দেখা হয়ে গেছে। শুধু গণিত নয়,ইতিহাস, স্বাস্থ্যসেবা, চিকিৎসা, জীববিদ্যা, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জ্যোতির্বিদ্যা, অর্থনীতি, ফিন্যান্স, ইত্যাদি বিষয়ের উপর ৪৫০০ এর বেশী মাইক্রো লেকচার বিনামূল্যে ইউটিউবে দেখা যাচ্ছে। ভিডিওগুলির ব্যাপারে বলতে গেলে, প্রথমত কোন ঝকমকা এনিমেশন নাই, গ্রাফিক্সের বলিহারি নাই, দিব্যি কালো একটা স্ক্রীন তার মাঝে কিছুক্ষণ পরে পরে কাঁচা হাতে আঁকিবুকি হচ্ছে আর কেউ একজন ঘ্যানঘ্যান করে অডিওতে কথা বলছে। প্রশ্ন হল এইখানে ম্যাজিকটা কোথায়? একটু ফিরে যান আপনার ছোটবেলায় স্কুলের দিনগুলিতে। আমার বিশ্বাস প্রত্যেকেরই অভিজ্ঞতা আছে নিজের বড়ভাই, পাড়ার বড়ভাই বা পাশের বিল্ডিং এর ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া যিনি আপনার পড়াশোনার প্রতি দৃষ্টিভঙ্গী বদলানো ও সমস্যা সমাধানের মৌলিক আগ্রহ জাগানোর জন্য অসাধারণ অবদান রেখেছেন। ভিডিওর ধরণটাও অনেকটা তেমনই। শুনলে মনেই হবেনা যে ক্লাস করছেন, মনে হবে এই সাধারণ একটা জিনিষ কেউ একজন আপনাকে বোঝানোর চেষ্টা করছে। যিনি বোঝাচ্ছেন, তিনি নিজেও আপনার চেয়ে মহা আঁতেল কেউ না, বরং ভাবখানা যেন আমিও গত সপ্তাহেই শিখেছি ব্যাপারটা, ভূলে যাবার আগেই তোমারে একটু শিখায়ে দেই। খুব সীমিত দৈর্ঘের (৩-৭ মিনিট) এই ভিডিওগুলোতে যেকোন বয়সের শিক্ষার্থীর জন্য একদম ডুবে যাওয়াই স্বাভাবিক। তাই টের পাবার আগেই দেখা যাচ্ছে উল্লেখিত ক্লাসের বিষয়টি শিক্ষার্থী শিখে ফেলছে। আর এই অদ্ভূত অভিজ্ঞতা একজন, দুইজন না বরং আমেরিকা ও সারা বিশ্বের লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর এখন। উঁচু বেতনের অফিস ফেলে গোঁয়ারের মত লেগে থাকার ফলে সালমান খান বর্তমানে আমেরিকার সবচেয়ে জনপ্রিয় শিক্ষকদের মধ্যে একজন প্লাস রীতিমত সেলিব্রিটি। TED এ সালমান খানের বক্তব্য দেখুনঃ ভাবতে ভালো লাগে এই মহান শিক্ষকের বাবা আমাদের দেশের বরিশালেরই মানুষ। বাবা ফখরুল আমিন খান পেশায় ছিলেন একজন চিকিৎসক। দাদা আবদুুল ওয়াহাব ছিলেন ১৯৫৫ সালে পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের স্পিকার। সালমানের বাবা বিয়ের পর পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। সেখানেই ১৯৭৭ সালে লুইজিয়ানার নিউ অরলিন্স শহরে সালমান জন্মগ্রহণ করেন, সেখানেই তাঁর বেড়ে ওঠা। মেধাবী সালমান ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব আইটি (এমআইটি) থেকে গণিত এবং তড়িৎকৌশল ও কম্পিউটার—এ দুই বিষয়ের ওপর স্নাতক করেন। একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎকৌশলের ওপর স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন সালমান। অতঃপর এমবিএ করেন হার্ভার্ড বিজনেস স্কুল থেকে। খান একাডেমী প্রতিষ্ঠার সময় যখন সালমানের বন্ধুদের সামনে তিনি পুরো পরিকল্পনাটি উপস্থাপন করেছিলেন, তখন প্রথম যে প্রশ্নটির সম্মুখীন হয়েছিলেন তা হলো, এই সাইট থেকে তিনি কীভাবে অর্থ উপার্জন করবেন। উত্তরে দৃঢ়প্রত্যয় নিয়ে তিনি বলেছিলেন, এর থেকে আয় করার প্রয়োজন নেই তাঁর। সালমানের মতে, খান একাডেমির উদ্দেশ্য হচ্ছে, সবাইকে বিভিন্ন বিষয়ের মৌলিক সব ধারণা পেতে সহায়তা করা। তিনি ইচ্ছে করলেই তাঁর ভিডিওগুলো কিংবা সম্পূর্ণ প্রক্রিয়াকে কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে চড়া মূল্যে বিক্রি করে দিতে পারতেন, একাধিকবার এমন প্রস্তাবও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু না, তিনি সে পথে হাঁটেননি। জ্ঞানকে ব্যবসার পুঁজিতে পরিণত না করে তিনি বিনা মূল্যে ছড়িয়ে দিচ্ছেন সারা পৃথিবীতে, শিশু থেকে বৃদ্ধ—জ্ঞানপিপাসী সব মানুষের মাঝে। ভালো কাজের জন্য অর্থ কোন সমস্যা না। প্রথম দিকে ভিডিও গুলো নিজেই নিজের খরচে তৈরি করতেন। ২০১০ সালের মে মাস থেকে কিছু ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠান তার এই প্রজেক্টে এগিয়ে আসে। ব্যক্তিগত ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে অনুদান আসতে থাকল। ২০১০ সালের সেপ্টেম্বর মাসে গুগল তাদের প্রজেক্ট টেন টু দ্য হান্ড্রেড-এ খান একাডেমীকে ৫ টি প্রজেক্টের একটি হিসেবে বিজয়ী ঘোষণা করে ও ২ মিলিয়ন ডলার দেয় যাতে খান একাডেমী আরো বেশি কোর্স তৈরি করে ও সারাবি
শ্বে জনপ্রিয় ভাষায় সবগুলি লেসন/টিউটোরিয়ালকে অনুবাদ করে। খান একাডেমীর ভিডিও লেকচারগুলো দেখে মুগ্ধ মাইক্রোসফটের প্রতিষ্ঠাতা এবং শীর্ষ ধনী বিল গেটস। Aspen Ideas Festival-এ বিলগেটস বলেছিলেন, তিনি ও তার তের বছর বয়সী সন্তান ররিকে নিয়ে ইউটিউবে নিয়মিত খান একাডেমীর লেকচার দেখে গণিত শেখেন। বিল এন্ড মেলিন্দা গেটস ফাউন্ডেশন থেকেও বড় অ্যামাউন্টের টাকা দেয়া হয়। খান একাডেমীর ভিডিও ভিত্তিক এই শিক্ষা পদ্ধতি প্রচলিত ক্লাসরুম ধারণাকে উলটে দিচ্ছে। ইতিমধ্যে লস অ্যালটোসের একটি স্কুলের ছাত্রছাত্রীরা তাদের যেসব লেকচার পড়তে হবে, তা বাসায় বসে খান একাডেমির সাইট থেকে দেখে আসে এবং স্কুলে এসে শ্রেণীশিক্ষকের সহযোগিতায় ক্লাসওয়ার্ক (আগে যা ছিল হোমওয়ার্ক) করে। এতে ক্লাসে শিক্ষক তাঁর সম্পূর্ণ সময় ও মনোযোগ শিক্ষার্থীদের জন্য ব্যয় করতে পারেন, তাঁদের সমস্যা সমাধান করতে পারেন, যা আগে কখনো সম্ভব ছিল না। সালমান খান একজন মহান শিক্ষক, যাঁর স্বপ্ন শিক্ষাব্যবস্থাকে বদলে দেওয়া। কোনো স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক না হয়েও তিনি শেখাচ্ছেন সারা পৃথিবীকে ।

দেখে নিন বাংলাদেশেকে নিয়ে তৈরি 3D এনিমেশন শর্টফিল্ম

By : Maruf Al Berunee
আপনি কি জানেন ২০১৩ ও ১৪ সালের এনিমেশন ক্যাটাগরিতে কে অস্কার পেয়েছে?নাফিয বিন জাফর।সে কোন দেশের এটা কি জানেন?সে আসলে আমাদের দেশের অর্থাৎ বাংলাদেশের!!!কিন্তু বাংলাদেশে তো এনিমেশন তৈরি হয়না তার উপর আবার অস্কার কীভাবে?এই প্রশ্নটিই সবার মনে জাগবে।কিন্তু সে আসলে চাকরী করে DreamWorks স্টুডিওতে।অর্থাৎ বিশ্বের সেরা একটি এনিমেশন স্টুডিওতে।কারন আমাদের দেশে এনিমেশন মুভির কদর নেই।নেই তেমন কোনো স্টুডিও তাই এরকম অনেক মেধা চলে যাচ্ছে অন্য দেশে এবং এতে তাদেরও কোনো দোষ নেই।আসলে Holliwood এর অনেক ছবিতেই অনেক কিছু দেখে অবাক হই কিন্তু আমরা জানি না যে এটি তৈরি করেছে বাংলাদেশেরই কেউ।যাই হোক আমাদের দেশে তাই প্রফেসনাল এনিমেটর নেই।কিন্তু আমাদের দেশেও তৈরি হয় এনিমেশন মুভি।যেমন এই মুভিটি দেখুনঃ আসলে আমাদের দেশে যেহেতু তেমন একটা এনিমেশন মুভি তৈরি হয়না তাই এটি ভালো।কারন আমাদের দেশে এনিমেশনের কম্পানি নেই,নেই কোনো উদ্বেগটা।তাই অনেকে যারা এনিমেশন তৈরি করে তা সুধু মাত্র শখের বশে।তাই এই মুভিটি অবশ্যই প্রশংসনীয়।মুভিটিতে CGI Graphics ব্যবহার করা হয়েছে। আসলে আমাদের দেশে এরকম কিছু উদ্দেগ নিতে হবে তাহলেই আশ্তে-আশ্তে আমাদের দেশে এনিমেশনের প্রচলন হবে।তৈরি হবে এনিমেশন নিয়ে কর্মসংস্তান।এবং অনেকেই তখন এনিমেশন নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করবে।আমাদের দেশও এনিমেশনের বিশাল জগতে প্রবেশ করবে।তাই এরকম উদ্দেগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।তাই এরকম উদ্দেগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।তাই এরকম উদ্দেগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।ভালো লাগলে অবশ্যই শেয়ার করবেন
Tag : , , ,

বিয়ে আপনার জীবনের সমস্যাগুলোকে অলৌকিকভাবে সমাধান করে দিবে না

By : Maruf Al Berunee
​"বিয়ে আপনার জীবনের সমস্যাগুলোকে অলৌকিকভাবে সমাধান করে দিবে না। বিয়ে কিন্তু সবসময় আপনার একাকীত্ব থেকে মুক্তির কিংবা বর্তমান অবস্থাটা থেকে বের হবার কোন পথ নয়। ভাই ও বোনদের উচিত বিয়ে জীবনটাকে যাদুমন্ত্র দিয়ে বদলে দিবে এমন আশা না করে ব্যক্তিগত ও আত্মিক উন্নতির জন্য চেষ্টা করা।
বিয়ে ব্যক্তিগত উন্নয়নের একটি বিশাল মাধ্যম হতে পারে, হতে পারে আমাদেরকে উত্তম মানুষ হয়ে বদলে যাওয়ার জন্য সাহায্যকারী, ইন শা আল্লাহ। একজন মানুষের প্রতি আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নি'আমাতগুলোর একটি হলো সুখী-সুন্দর বিয়ে; এবং এর ফলে একটি পরিবারের সৃষ্টি, সেই পরিবারের সেবা-যত্ন করা -- যা সেরা ইবাদাতগুলোর অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু যে ব্যক্তি নিজের ব্যক্তিগত উন্নতির জন্য এখনই তেমন কোন কাজ করতে পারছে না, কীভাবে আশা করা যায় যে আরেকজন মানুষের আরো কিছু দায়দায়িত্ব ও মালপত্র কাঁধে নিয়ে সেই কাজটি তার জন্য সহজ হবে, এমনকি যখন সেই মানুষটিও নিখুঁত নন?
আপনি নিজেই কি আপনাকে বিয়ে করতে রাজি হতেন? যদি না হন, তাহলে সেই আকাঙ্খিত অবস্থায় যেতে আপনার আরো কী কী করতে হবে? যদি হয়ে থাকেন, তাহলে কি ভেবেছেন আপনার ভালো গুণাবলীকে আরো বৃদ্ধি করতে আপনি কী করতে পারেন।"
-- মারিয়াম আমির ইব্রাহিমি 
[মিশরীয় বোনটির ফেসবুক পোস্ট থেকে অনূদিত]

নবী আদর্শের সুসংবাদ ও সাবধান বানী

By : Maruf Al Berunee
বাবা আদম মা হাওয়ার সন্তান যুবক, যুবতীরা! তোমরা যারা এখনো বিপথে পা বাড়াওনি, তোমরা জিব্রাইলের ডানা, সাত আকাশের শাহীন, সুলাইমানের হুদহুদ । বিশ্বায়নের নামে বেশ্যায়নের পিশাচ থাবা তোমাদের গ্রাস করতে ধেয়ে আসছে।

বিশ্বের বিশ্বায়ন, অথবা,

বেশ্যায়নের বিশ্বায়ন!

তোমরা কোন পথে যাবে? আল্লাহর পথ, বিশ্বাসের বিশ্বায়নের। ইবলিশ পিশাচের ডাক, বেশ্যায়নের ।

তাওহীদ ত্যাগের ফলে গনতন্ত্রের বেশ্যায়ন ইয়াহুদী-খ্রিস্টান বিশ্ব গ্রাস করে, মুসলিম বিশ্ব গ্রাসে মুখ হা করেছে। মক্কার হজ্জ ওদের অনুমতিতে ওদের সেবাদাসদের কবজায়। আই এম এফ ও বিশ্ব ব্যাংকের মুদ্রার আপপত্নী ও নর্তকীরা মক্কার রাজ প্রাসাদের অতিথি পাখি। ইমেল্ডা, ডায়না, হাসিনা ও খালেদা সেখানে একাকার।

রাম রাজত্ব ও শিব সেনাদের আশীর্বাদী তাবলীগী মেলায় বেশ্যায়নের নেতা-নেত্রীদের “আখেরী মুনাজাত”। বাংলাদেশ কি তাদের আখেরী লক্ষ??

মহাপ্রাচ্য দখলের পর ইরান, আফগান ও পাকিস্তান হয়ে বাংলাদেশের উপর ওদের আখেরী থাবা?? ইং-মার্কিন ও ইয়াহুদী চক্র ধেয়ে আসছে।

আদমের ঘরে মা হাওয়া, ঘরের দুয়ার, ঘরের তালা। সে ঘর আজ খোলা, খোলা তালা ঝুলা। চাবি কার হাতে? যৌন কর্মী, যৌন শিল্পী, সংসদ ভুবনের (?) ভিতর বাইর ও হোটেল- ব্রোথেলে কারা? কাদের লীলাভূমি?

ঈমান ও তাওহীদের বিশ্বায়নের পুনরুথানের সূয্যোদয় হবে বাংলাদেশ থেকে। ইনশাআল্লাহ। কিন্তু উদয়ের গগনে কালো মেঘের বাধা দু’নারী মঞ্চের এইচ আইভি এইডস ব্যাধি। এ বাধা বিদুরনে চাই রিসালাত ভিত্তিক প্রথম শক্তির বিস্ফোরণ। ছাগীর তৃতীয় বাচ্চার তৃতীয় শক্তি নয়। কামাল ও বি, চৌ রা তার দৃষ্টান্ত। দুই ছাগী ও তার বাচ্চাদের খোয়ারস্থ করতে প্রয়োজন পৌরুষ দীপ্ত এক পাঠা শক্তি, ব্যক্তির । ঈমানী পাঠা। পশু পাঠা অবশ্যয় নয়। সুদখোর আরবরা যৌনবিকৃতিতে নি:শেষ। ওদের হারামের উচ্ছিষ্ট চাটা গোলাম আযম, আযিযুল হক ও ফযলুল হকরা পরষ্পর শত্রু হলেও ওদের অভিভাবক শয়তানের নির্দেশে বাংলার ইসলামী যুবশক্তিকে এইচ আইভি, এইডসে এর হাতে ইফতার পার্টী করে বিক্রি করেছে ও করছে। দাড়ি, জোব্বী ও পাগড়ী নিয়ে এ দাইয়ূসরা নারী খোঁপায় আত্নাহুতি দিয়েছে। নেতা কর্মী ও রুকুনদের উকুনসম ছাগীর পশমে পাঠা বলি দিচ্ছে। এ চক্রের মতিয়ার মোল্লা হাসিনার মতিয়া চেৌর নামান্তর।

পাকিস্তানের নরপশু ইয়াহইয়ার আমলেও গোলাম আযম দুটি মন্ত্রীত্বের বিনিময়ে ইসলামী যুবকদের পাঞ্জাবী-বেলুচি পশুদের বিকৃত যৌনতার শিকার করেছিলো। এবার বিশ্বের প্রথম দূর্নীতিপরায়ন ও দারীদ্র্যপীড়িত সরকারের নারী নেত্রীর নরকে নিক্ষেপ করেছে।

অতএব, হে সচেতন ঈমান দীপ্ত ইসলামি আন্দোলনের শাহীন যুবকেরা!

তাবলীগি গাঁজা, লাদেন-সাদ্দামী সন্ত্রাস, জামাতী গনতন্ত্র, শীয়া-সুন্নী হানাহানী ও মুর্খ মোল্লা ওমরী তালেবানীকে তিন ত্বালাক দিয়ে নবী আদর্শে মিল্লাতে ইবরাহীমে শামিল হও। তবেই বুশ-ব্লেয়ার শ্যারণ ত্রয়ের আগ্রাশন রক্ষা পাবে। এরা দাজ্জালের অগ্রসেনা। এদের যারা প্রতিহত করবে, তারাই দাজ্জাল নির্মূল করবে।

বর্তমান অবস্থায় বাংলাদেশে নির্বাচন হলে, সরকার পরিবর্তন হবে। তখন এ দু ছাগীর বাচ্চা আওয়ামীলিগ ও বি এন পি এক হয়ে যাবে। বিপদে পড়বে তোমরা।

দুনিয়া আখেরাতের নিকৃষ্ট জীব ধর্ম ব্যাবসায়ীরা নিশ্চিত জাহান্নামী। এ শাইখুল হাদীস ও নিজামীদের তোমরা রোজ ক্বিয়ামতে দোষারোপ করলে এরা কিন্তু তোমাদের অস্বীকার করবে। মনে রাখবে, এরা কুরআন জানা ক্বোরআন অমান্যকারী, এরা এদের অভিভাবক শয়তানের সাথে সুর মিলিয়ে বলবে 

إِنَّ اللَّهَ وَعَدَكُمْ وَعْدَ الْحَقِّ وَوَعَدتُّكُمْ فَأَخْلَفْتُكُمْ ۖ وَمَا كَانَ لِيَ عَلَيْكُم مِّن سُلْطَانٍ إِلَّا أَن دَعَوْتُكُمْ فَاسْتَجَبْتُمْ لِي ۖ فَلَا تَلُومُونِي وَلُومُوا أَنفُسَكُم

আল্লাহ তোমাদের সাথে সঠিক অঙ্গিকার করেছিলেন। আমি তোমাদের সাথে মিথ্যা অঙ্গিকার করেছিলাম। তোমাদের উপর আমার কোন কতৃত্ব ছিলোনা, আমি ডাক দিতেই তোমরা আমার ডাকে সাড়া দিয়েছিলে। অতেএব আমাকে দোষ না দিয়ে তোমরা নিজেদের তিরষ্কার করো। (ইব্রাহীম-২২)

নবী আদর্শের সুসংবাদ দাতা ও সতর্ককারী بشير و نذير

গুরাবা

By : Maruf Al Berunee
রসুলুল্লাহ (সঃ) বলেছেন, “ইসলামের শুরু হয়েছে এক গারীব [অপরিচিত/আজব/আত্মীয়-বান্ধবহীন] বিষয় হিসেবে। এটা আবার ফিরে যাবে সে গারীব অবস্থায়। আর সে সময়ের গুরাবাদের জন্য সুসংবাদ।” বলা হলো, “হে আল্লাহ্‌র রসূল (সঃ), কারা গুরাবা?” তিনি (সঃ) বললেন, “যারা অপরিচিত/বান্ধবহীন অবস্থায় যখন লোকেরা ইসলামের মধ্যে বিপর্যয় সৃষ্টি করেছে সে সময় এর সংশোধন করবে।” [মুসনাদ আহমদ, মুসলিম, ইবন মাজাহ্‌] 

নষ্ট স্রোতের সয়লাভে যখন দীনের মাঝে বিপর্যয় সৃষ্টি হয় তখন এই গুরাবারা স্রোতের বিরুদ্ধে দাঁড়িয়ে সত্যের ঝাণ্ডা উঁচুতে তুলে ধরে রাখে। নষ্ট স্রোত এমনই প্রভাবশালী যে মানুষ তাকেই মনে করে মূলধারা। আব্দুল্লাহ্‌ ইবন মাসঊদ (রাঃ) বলেছেন, “তোমাদের কি হবে যখন ফিতনা (বিপর্যয়) তোমাদের ঘিরে ধরবে – এমনকি ফিতনার মাঝেই তোমাদের বড়রা বৃদ্ধ হবে, ছোটরা বড় হবে এবং লোকেরা এই ফিতনাগুলোকে মনে করবে সুন্নাহ্‌। আর যখন ফিতনাগুলোকে পরিবর্তন করা হবে তখন লোকেরা বলবে সুন্নাতকে পরিবর্তন করা হলো‏।” [সুনান আদ-দারিমী] নস্টস্রোতের ধারক-বাহকগণ তাদের প্রভাব এবং প্রতিপত্তি দিয়ে সত্যকে ধুমায়িত করে রাখে। মানুষ তখন মনে করতে থাকে ওটাই মূলধারা। আর যারা সত্যের অনুসারী তারা হয়ে পড়ে আশ্চর্য প্রজাতির। তাদের আচরণগুলোকেই মনে হয় ডিভিয়েন্ট। 

এরা যখন হকের দিকে দাও‘আত দেন তখন বিপর্যয় পন্থীরা বলতে থেকে এগুলোতো নতুন কথা। আমরা আমাদের পূর্বপুরূষদের এরকম বলতে শুনিনি। তারা দীন হিসেবে পালন করে নিজেদের বাপ-দাদার রসম-রেওয়াজ়কে। একে তারা ছাড়তে চায়না। আল্লাহ্‌ [সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা] বলেন (তর্জমা), “তাদেরকে যখন এই বলে আহ্বান করা হয় যে, ‘এসো আল্লাহ্‌ যা নাজ়িল করেছেন সেদিকে এবং রসূলের দিকে’, তারা বলে ‘আমাদের জন্য তা-ই যথেষ্ট যা আমরা আমাদের বাপ-দাদাদের কাছে পেয়েছি’ যদিও তাদের বাপ-দাদারা কিছুই জানতনা এবং সত্‌পথ প্রাপ্তও ছিলোনা।” [কুরআন, ৫/১০৪] 

কিন্তু হকপন্থী গুরাবারা নষ্ট স্রোতের সাথে চলতে অভ্যস্থ নন। তারা স্রোতের গতিকে ঘুরিয়ে দিতে চান তার সোজা সরল পথে। এদেরই একজন সেজন্য বলেছিলেন, “এ বিধান [ইসলাম] ভীরু কাপুরূষের জন্য অবতীর্ণ হয়নি; নফসের দাস ও দুনিয়ার গোলামদের জন্য নাজ়িল হয়নি; বাতাসের বেগে উড়ে চলা খড়-কুটো, পানির স্রোতে ভেসে চলা কীট-পতঙ্গ এবং প্রতি রঙ্গে রঙ্গীন হওয়া রঙ্গীনদের জন্য একে অবতীর্ণ করা হয়নি। এ এমন দুঃসাহসী নর-শার্দুলদের জন্য অবতীর্ণ হয়েছে যারা বাতাসের গতি বদলে দেবার দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে; যারা নদীর তরঙ্গের সাথে লড়তে এবং তার স্রোতধারা ঘুরিয়ে দেবার মতো সত্‌সাহস রাখে। যারা খোদার রঙকে দুনিয়ার সব রঙের চাইতে বেশী ভালবাসে এবং সে রঙ্গেই যারা গোটা দুনিয়াকে রাঙ্গিয়ে তুলবার দৃঢ় আগ্রহ পোষণ করে। যে ব্যক্তি মুসলমান তাকে নদীর স্রোতে ভেসে যাওয়ার জন্য পয়দা করা হয়নি। তার সৃষ্টির উদ্দেশ্যই হলো জীবন নদীকে তার ঈমান ও প্রত্যয় নির্দেশিত সোজা ও সরল পথে চালিত করা। যদি সেই সোজা পথ থেকে নদী তার স্রোত ফিরিয়ে নেয়, আর সেই পরিবর্তিত স্রোতধারায়ই কেউ ভেসে চলতে সম্মত হয়, তো এমন ব্যক্তির ইসলামের দাবী একেবারেই মিথ্যা। বস্তুত যে ব্যক্তি সাচ্চা মুসলমান, সে এই ভ্রান্তমূখী স্রোতের সাথে লড়াই করবে, তার গতি ঘুরিয়ে দেবার জন্য সর্বশক্তি প্রয়োগের চেষ্টা করবে – সাফল্য ও ব্যর্থতার কোন পরোয়াই সে করবেনা। এ লড়াইয়ের যে কোন সম্ভাব্য ক্ষতিই সে বরণ করে নেবে। এমনকি নদীর স্রোতের সাথে লড়াই করতে করতে তার বাহু যদি ভেঙ্গেও যায়, কিংবা শক্তি শিথিল হয়ে পড়ে এবং পানির তরঙ্গাঘাত তাকে আধমরা করে কোন তীরের দিকে ছুঁড়ে ফেলেও দেয়, তবুও তার আত্মা কখনো পরাজয় বরণ করবেনা। তার হৃদয়ে এই বাহ্যিক ব্যর্থতার জন্য এক মুহুর্তের তরেও কোন অনুতাপ জাগবেনা, কিংবা নদীর স্রোতে ভেসে চলা কাফির ও মুনাফিকদের সাফল্যের জন্য ঈর্ষার ভাবধারা প্রশ্রয় পাবেনা।” [সাইয়েদ আবুল ‘আলা আল-মওদূদী, ইসলাম ও পাশ্চাত্য সভ্যতার দ্বন্দ্ব (৫ম সংস্করণ, ১৯৯৩), পৃঃ ২০৩-২০৪, শতদল প্রকাশনী, ঢাকা।] 

মানবেতিহাসের সর্বপর্যায়ে এ গুরাবারা সক্রিয় ছিলেন। অন্যায় ও অসত্যের বিরুদ্ধে সাহসী সংগ্রামে কখনো পিছপা হননি এরা, যদিও বাহ্যিকভাবে এদের অনেককেই অসত্যের সৈনিকরা দুনিয়া থেকে নিশ্চিহ্ন করে দিয়েছে, কিন্তু তাদের আত্মা কখনো পরাজয় বরণ করেনি। আল্লাহ্‌ তা‘আলা তার কিতাবে এদের সম্পর্কে বলেছেন, “এমন কত নবী ছিলেন যাদের সাথী হয়ে অসংখ্য আল্লাহগত প্রাণ [অসত্যের বিরুদ্ধে] লড়াই করেছেন। আল্লাহ্‌র পথে যে মুসীবতের মুখোমুখি তাঁরা হয়েছিলেন তা তাঁদের ভগ্নহৃদয় করতে পারেনি, তাঁদেরকে দমিয়ে দেয়া যায়নি, আর তাঁরা তাঁদের সংগ্রাম ছেড়েও দেননি। আর আল্লাহ্‌তো তাদেরকে ভালবাসেন যারা তার পথে দৃঢ় ও অবিচল থাকেন। তাঁরাতো শুধু বলেছেনঃ আমাদের প্রভূ আমাদের গুনাহগুলো মাফ করো আর আমাদের আচরণের বাড়াবাড়িগুলোও; আমাদের কদমগুলোকে মজবুত করে দাও, আর সত্য অস্বীকারকারীদের মুকাবিলায় আমাদের তুমি সাহায্য করো।” [কুরআন, ৩/১৪৬-১৪৭] 



সমাজের সাথে মানিয়ে চলা ...... 
(গুরাবা)

জাহেলিয়্যাত এবং পাপ পঙ্কিলতায় নিমজ্জিত একটা সমাজে কোন মানুষ যখন বুঝতে পারে তার একদিন মরতে হবে, বিচারের মাঠে প্রত্যেকটা বাজে কথা, কুদৃষ্টি আর গীবতের জন্য জবাবদিহিতা করতে হবে - তখন সে আস্তে আস্তে পরিবর্তিত হতে থাকে। 

তার আচার আচরনে পরিবর্তন আসে, সে বন্ধুদের সাথে সব আলোচনায় বসতে পারে না, কাজিনদের সাথে সব পার্টিতে অ্যাটেন্ড করতে পারে না। তাই বলে সে পারফেক্ট না, তার ভুল আছে, সীমাবদ্ধতা আছে।

কিন্তু তখন সবচেয়ে বড় বাঁধা হয়ে দাঁড়ায় সমাজ। তারা সাহায্য তো দূরে থাক, বরং নানা ধরনের মানসিক চাপ সৃষ্টি করে তাকে বাঁধা দেয়।

ছেলে দাঁড়ি রাখতে চাইলে তখন তাকে বলা হয় - দাঁড়িই কি সব? আরো তো কত খারাপ কাজ করিস?

মেয়ে হিজাব পড়তে চাইলে বলা হয় - কেন তুই কি এখন খারাপ আছিস? আমরা কি সব নষ্ট মেয়ে? মনের পর্দাই প্রকৃত পর্দা।

বন্ধুদের সাথে বাজে আড্ডাতে যোগ না দিলে, লজ্জা পেলে - তাকে অতীত নিয়ে খোটা দেয়া হয়। বলা হয় - খুব হুজুর হইছো না? এই তোমরাই তলে তলে সবচেয়ে বড় শয়তান।

কাজিনদের সাথে আড্ডা মারা অপছন্দ করলে, গায়ে হলুদ, বিয়েতে নাচানাচি, ঢলাঢলি পছন্দ না করলে --- তাকে তখন সামাজিকতার কথা বলা হয়, মানিয়ে নেয়ার কথা বলা হয়।

সামাজিক সবকিছুতে তাকে মানিয়ে নিতে বলা হয়। কিন্তু তার জন্য কেউ মানিয়ে নেয় না।

কেউ তার জন্য লাউড স্পিকারে মিউজিক শোনা বন্ধ করবে না। এটা বুঝেও যে - এটা হারাম কাজ আর ইসলাম প্রাকটিস করতে চাওয়া একটা মানুষের জন্য এটা কষ্টকর।

বন্ধুরা তার সামনে সিগারেট খাওয়া কিংবা ছেলেমেয়ে নিয়ে বাজে কথা বলা বন্ধ করবে না। ইচ্ছা করেই হয়তো আরো বেশি করবে।

সে যদি তখন রিঅ্যাক্ট করে, তখন সেটা হবে অহংকার। সে যদি তখন লজ্জাতে চুপ করে থাকে, তবে সেটা হবে দুর্বলতা।

এই সমাজটা ধীরে ধীরে তার কাছে বিষময় হয়ে যায়। মানুষের সাথে মুখে হাসি নিয়ে কথা বলা ছেলেটা আস্তে আস্তে অসামাজিক হয়ে যায়।

একটা মানসিক দ্বন্দের মাঝে বসবাস করা ছেলেটা একসময় তার পরিচয় খুঁজে পায়। তার পরিচয় সে অপরিচিত, সে ভিন্ন।

রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,
" ইসলামের শুরু হয়েছে যখন তা ছিল গারীব (আগন্তুক, অচেনা, অদ্ভুত, অপরিচিত) অবস্থায়।। এটা আবার ফিরে যাবে সে গারীব অবস্থায়। আর সুসংবাদ হচ্ছে গুরাবাদের (অচেনা, অদ্ভুত, অপরিচিতদের) জন্য।" [মুসলিম]

গুরাবাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মত কোন স্যাক্রিফাইস এখনও আমরা করি নাই, এখনো হয়তো যেদিকে স্রোত সেদিকেই আমাদের ঝোঁক বেশি। তবুও আল্লাহর কাছে দুয়া করি আল্লাহ তা'আলা যেন - আমাদের গুরাবাদের অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মত তাওফিক দান করেন। আর আমাদের ভুল, ত্রুটি, সীমাবদ্ধতাকে মাফ করেন।

‪#‎গুরাবা‬
‪#‎অসামাজিক‬
‪#‎অদ্ভুত‬

স্বপ্নগুলো বড় বলে কি মুছে ফেলতে হবে?

By : Maruf Al Berunee
মানুষের সাথে মিশে নতুন করে উপলব্ধি করছি, সবার জীবনে স্বপ্ন থাকে। মুখে উচ্চারণ করি বা না করি, স্বীকার করি বা না করি, সবাই কিছু স্বপ্ন বুকে ধারণ করে রাখে। ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র বিষয় থেকে অনেক বড় কিছু করার ইচ্ছা থাকে অনেকের হৃদয়ের মাঝে। যারা আল্লাহকে ভালোবাসেন, তারা আল্লাহ যেমনটি ভালোবাসেন তেমন করেই জীবনকে রাঙ্গাতে চান। মানুষ হিসেবে হয়ত সীমাবদ্ধতা রয়ে যায়, হয়ত স্বপ্নগুলো বড়, সামর্থ্য কম -- তবু হৃদয়ের গভীরে জমে থাকা স্বপ্নগুলো কেন মুছে ফেলতে হবে? যদি তা আল্লাহর অপছন্দনীয় কিছু না হয়, তাহলে তাকে মুছে ফেলার কিছু নেই। হৃদয়কে তিক্ত করারও কিছু নেই। পৃথিবীর সমস্ত ক্ষমতাই কেবলমাত্র আল্লাহর কাছে। কেবলমাত্র তার ইচ্ছাতেই সবকিছু হয়, তার নির্দেশেই প্রতিটি ঘটনা ঘটে।
পৃথিবীর কোন মানুষের সাধ্য নেই আমাদের কোন উপকার বা ক্ষতি করা যদি আল্লাহ না চান। আমাদের সকল চাওয়া কেবলমাত্র আল্লাহর কাছেই। আল্লাহর ভান্ডার অবারিত, যা থেকে তিনি যখন ইচ্ছা, যাকে ইচ্ছা বেহিসাব দান করেন। যদি আমাদের যোগ্যতা হয় তার কাছে চেয়ে নেয়ার, তবে তিনি অকল্পনীয় উপায়ে বান্দাকে দান করবেন। স্বপ্নগুলো বড়, অধরা থাকার মতন বলেই কেন ফেলে দিবে মানুষ? আমি তো কতগুলো অসাধারণ মানুষের সুন্দর কিছু স্বপ্ন নিয়ে শুনেছি, যা কেবলই কল্যাণময়। *বাস্তবতার ধাক্কা* খেয়ে কেন তারা সেগুলো ভুলে যেতে চান? তা তো উচিত নয়। যারা কেবলই আল্লাহর উপরে ভরসা করেন, তারা জানেন, চাওয়া এবং পাওয়া এর সবটুকুই আল্লাহর সাথে। যদি কিছু অপ্রাপ্তি থাকে, তাও আল্লাহ চেয়েছেন বলেই। আমরা তো বলি যে আমার সলাত, আমার সহ্য করা কষ্ট, আমার জীবন ও মৃত্যু কেবলই আল্লাহর জন্য। আর আমরা তো জানি, যে ব্যক্তি আল্লাহর উপরে ভরসা করে আল্লাহ তা'আলাই তার জন্য যথেষ্ট।
পৃথিবীর যেসব স্কেল দেখে আমরা সফলতা/ব্যর্থতা হিসেব করি, তা নয় বরং আল্লাহর কাছে আমাদের জীবনের সফলতা আর ব্যর্থতার হিসেব তো অন্য পাল্লায় মাপা হয়। আল্লাহর কাছে চাইতে থাকা প্রতিটি দু'আ আমাদের জন্য কেবলই কল্যাণকর। যিনি আল্লাহর উপরে ভরসা করেন, তিনি তো কাজ করতে গিয়ে অসফল হলে হতাশ হয়ে যান না। তিনি জানেন, সফলতার মালিক কেবলই আল্লাহ। আর তিনি চেয়েছেন বলেই তো এই অবস্থা। স্বপ্ন মুছে ফেলার কিছু নেই বরং অধরা অনেকগুলো স্বপ্নকে বুকে ধরেও একদম সন্তুষ্টচিত্তে, প্রশান্ত হৃদয়ে এগিয়ে চলতে হয়। এ কাজটা পারেন তারাই -- যারা আল্লাহকে ভালোবাসেন, তাকেই সকল ক্ষমতার অধিকারী বলে মানেন, আল্লাহর জন্য যাদের জীবন এবং মৃত্যু। আল্লাহ আমাদেরকে এমন সুন্দর হৃদয়কে ও ঈমানকে ধারণ করার তাওফিক দান করুন যা তিনি ভালোবাসেন, আল্লাহ আমাদেরকে দান করুন দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ।

ভূমিকম্প!!!

By : Maruf Al Berunee

ভূমিকম্প থেকে বাঁচার আসল রাস্তা বাদ দিয়ে আমরা খুঁজছি মেকি রাস্তা। ঈমান আমালের উন্নতি, গুনাহ ছেড়ে দেয়া, আল্লাহর অনুগত দাসে পরিণত হওয়া ইত্যাদি আসল কাজ বাদ দিয়ে আমরা গবেষণা করছি কীভাবে খাটের নিচে বসে থাকবো, কীভাবে ঘরবাড়ি বানালে বেঁচে থাকবো আরও কতো আকাশ কুসুম চিন্তায় মগ্ন আমরা। অথচ মহান আল্লাহর এই আযাব থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় হল নিজের সমস্ত ইচ্ছাকে, সমস্ত কাজকর্মকে মহান আল্লাহর হুকুমের সামনে অবনত করে দেয়া।
"তারা কি লক্ষ্য করে না, প্রতি বছর তারা দু'একবার বিপর্যস্ত হচ্ছে? এরপরও তারা তাওবাহ
করে না, কিংবা উপদেশ গ্রহণ করে না।" [সূরা তাওবাহ : ১২৬]

"তোমাদের উপর যেসব বিপদ-আপদ পতিত হয়, তা তোমাদের কর্মেরই ফল এবং তিনি তোমাদের অনেক গোনাহ ক্ষমা করে দেন।" [সূরা আশ শুরাঃ ৩০]

“স্থলে ও জলে মানুষের কৃতকর্মের দরুন বিপর্যয় ছড়িয়ে পড়েছে। আল্লাহ তাদেরকে তাদের কর্মের শাস্তি আস্বাদন করাতে চান,যাতে তারা ফিরে আসে। (আর রুমঃ ৪১)

"বড় শাস্তির পূর্বে আমি অবশ্যই তাদেরকে ছোট শাস্তির স্বাদ আস্বাদন করাব, যাতে তারা ফিরে আসে।" [সুরা সাজদা:২১]

তারপরও কি আমরা তাওবা করে আল্লাহর পথে ফিরে আসবো না? আর কতো অবাধ্য হবো?

Predicting The Future Since 1994: The Illuminati Card Game

By : Maruf Al Berunee
It’s either a freaky coincidence or a warning. In 1994 Steve Jackson Games (SJG) produced a card game that eerily seems to have had an insight of things to come. The Illuminati Card Game illustrated incredible depictions of events we have come to know. From the 9/11 attacks, tsunami’s and other disasters, an energy crisis, epidemics, Jihad, Wall Street, and more, these cards have had an uncanny habit of predicting events which occurred decades later.
See what you think.






 The disturbing trend of these 1994 Illuminati Card Game threatens to predict a dystopian future for its players…












155009393_illuminati-card-game-in-trading-card-games 155009393_illuminati-card-game-in-trading-card-games
Tag : ,

This Android Vulnerability Can Result In Your Data Being Hacked

By : Maruf Al Berunee



Due to a serious coding mistake in the kernel stage script at Qualcomm, makers of the Snapdragon chipset, hackers can easily get root access and take complete control of your phone. As soon as the attacker(s) gets the administrator level functionality, the hackers are capable of doing nearly anything. For instance, once they have complete access to your smartphone, they are able to take screenshots, make a call, switch on your smartphone without your authorization, and access your personal information such as account profile details, online messages, text messages and debit card figures.
Qualcomm, the major ball player in the field of processor development, claims that their programs on a Snapdragon processor have the ability to power more than a million smart hardware devices, which includes numerous Internet of Things (IoTs). Therefore, this coding mistake is a subject of serious priority, especially once you consider the large number of people it will affect.
However, at the same time, the tech giant Google, and particularly the Android supplier, has rolled out upgrades following this problem of remote root accessibility. By employing this exclusively developed software update, the programmer will not be in a position to acquire core accessibility to the hardware.

Image Source: Trend Labs – A screenshot showing the vulnerability in action.
Google has already supplied patches for a few phones out there; however, the main concern is getting this security feature to other smartphones running Android (phones that are running older versions of Android). Since Android is used in almost every phone nowadays, the OTA—or, to be more precise, the process of giving this update over-the-air—is going to look something like this:-
  • Qualcomm will fix this issue and push out a program to Google.
  • Google is going to get in touch with all the various suppliers of hardware production like Sony, LG, Samsung, Huawei, HTC, etc.
  • Once the meetings with the hardware producers are over, the Android supplier is going to give the security patch to all the suppliers.
  • And after that, those patches will be further modified by the companies, and thus, an OTA update is going to be available on every device that runs Android and has a Snapdragon 800 series processor placed on their motherboard.
However, as simple as these steps look, they are truly time consuming.

Image Source: Trend Labs – A second screenshot of the vulnerability showing access to the device’s memory.
Wish Wu, a mobile threat response engineer at Trend Micro says: “We have discovered a vulnerability in the integrated Android Debugger that can be used to expose the contents of the device’s memory in devices running Ice Cream Sandwich to Lollipop.” So, this is a really bad situation – not just for smartphones running on Android & Snapdragon, but also for the Internet of Things.
Almost all of Google’s flagship phones are among the devices that are affected (Nexus 5X, Nexus 6P, Nexus 6, Nexus 5, Nexus 4, Nexus 7, Nexus 9, and Nexus 10). In addition, every single smart unit making use of the Qualcomm Snapdragon 800 sequence processors—such as the 800, 805 and 810—and devices that are running a – 3.10 – type kernel, are also affected. Wu says that this problem is not just on phones that are running the latest version of Android, but they can also be found in smart devices that are running KitKat.
You want to support Anonymous Independent & Investigative News? Please, follow us on Twitter: 

This Article (This Android Vulnerability Can Result In Your Data Being Hacked) is free and open source. You have permission to republish this article under a Creative Commons license with attribution to the author and AnonHQ.com.

Have A Gmail Account? Here’s Why You Need To Close It Immediately!

By : Maruf Al Berunee


Chances are if you are an American living inside the United States that the NSA has created a personal file on you, this is nothing new. In fact the NSA has already admitted that of the roughly 321 million Americans living inside the United States that the agency has an official file on 300 million of us. For those of you whom are mathematically challenged that means there is is a 93% likelihood that the United States government has spied on and recorded you. One of the main tools the United States government uses to spy on its own citizens is hacking. You may think to yourself, but isn’t hacking illegal? Technically yes you are right, but in response to that the government will simply respond “Patriot Act“. Under the Patriot Act, the Constitution and laws which govern every United States citizens literally do not apply to the United States government. You may have heard of a license to kill, well one of the privileges government agencies get to play around with as a result of the Patriot Act is a license to hack; and hack they do. At the end of last week Google announced that over 1 million Gmail accounts were hacked by US government officials and that this behavior has been occurring for years. You might think these federally sanctioned hacks were aimed at criminals or suspected terrorists but you would be surprised, according to a direct statement from Google these hacks were also targeted against“activists, journalists and policy makers." So once again, chances are if you said anything at all about the United States in public or online, and had a Gmail account, you were hacked by the United States Government.
“Since 2012, we’ve warned Gmail users when we suspect they’ve been targeted by state-sponsored attackers. The users that receive these warnings are often activists, journalists, and policy-makers taking bold stands around the world.”

These warnings are much more significant than you realize. Later in the same blog post Google goes on to specify that “these warnings are rare – fewer than 0.1 percent of users ever receive them.” Just stop and think about this for a moment. Google itself admits it allowed the government to hack accounts but that they did try to warn SOME people about it…… The number of people Google warned was only one tenth of one percent of all accounts which had been hacked. Furthermore this “0.1%” of people warned still totaled more than 1 million accounts!


It does not take a mathematical genius to understand how those statistics are frighteningly insane! There is no stopping the United States government and the NSA. For the love of God if you own a Gmail account you need to close it ASAP, don’t even finishes reading this article and do it right now…….. Well maybe finish reading this article because we have a list of email subscribers you need to switch to for your own safety.
Ghostmail. This service allows you to sign up to an encrypted email service. The server is located out of Switzerland and offers free end to end encryption on all emails. The service also has a built in “self destruct mode” which when turned on will automatically delete any message after it has been read; Mission Impossible stye. At no point in signing up for this service are you asked to confirm anything or give away any personal information. Sign Up Here: www.ghostmail.com
ProtonMail. Another service which offers free end to end encryption who’s services are located in Switzerland outside of US laws and jurisdiction. Like Ghostmail, at no point in time are you asked for any personal information. If you are a fan of the Television hit “Mr. Robot” this is Elliot’s email of choice. Sign Up Here: https://protonmail.com/
Tutanota. This is another free encrypted email service that has become quite popular in recent times. It was announced just the other week that Tutanota just surpassed 1 million accounts, becoming the largest online encrypted email service on the internet. Tutanota makes their encryption code open source so security experts can confirm the level of security they will be receiving. Sign up Here:https://tutanota.com/

This article (Have a Gmail Account? Here Is Why You Need To Close It Immediately) is free and open source. You have permission to republish this article using a creative commons license with attribution to the author and AnonHQ. Join the conversation at www.anonboards.com

What Is Your Personal Information Worth On The Deep Web?

By : Maruf Al Berunee
Whereas the majority of people perceive the deep web as being a cloudy criminal world in which people can effortlessly purchase and sell everything from prescription medication, hacked and verified counterfeit travel documentation – even diplomatic passports – and sophisticated weaponry – even nuclear weapons – many have also found that it is a preferred location for hackers to buy and sell compromised information. The fact that our personal and financial information is being sold to individuals online, is utterly terrifying. Lately, McAfee Labs circulated a document termed as The Hidden Data Economy. As the title suggests, the document provides the reader with a couple of intriguing observations of the financial burdens that govern compromised records within the deep web. It is adequate to say that each and every thing that is conceivable to the human brain, can be obtained if you are willing to pay the right amount for it. As an example, the document highlights the price of many online bank details. In the paragraph below, you will find details about the information that is obtainable online. The projected cost of a stolen credit or top up card can vary from 0.01 Bitcoins (BTC) to 0.07 BTC ($5 to $30) – this is the price for the credit or debit cards in the United States. If you want the card details of a bank account in the United Kingdom, then the price can start from 0.05 BTC to 0.08 BTC ($20 to $35). If you want the card details of an Australian bank account, then the price can vary from 0.05 BTC to 0.09 BTC ($20 to $40). The price for Canadian card details can be purchased at the same rate as the Australian ones. Card details from European countries can start from 0.06 BTC to 0.09 ($24 to $37). If you want an account that has a verified login credential and a balance of around $2,000, then you should have 0.48 BTC ($200) at-the-ready. If you want a bank account, the account’s login credentials and a sneaky money transfer service then those complete packages are worth 1.20 BTC to 14.45 BTC (which is priced at $450 to more than $6000). In simple words, if you want to make it look genuine, you should be willing to pay. It is also worth mentioning that the deep web has turned into a big market – a lot larger than the surface web – in which people can even buy login details for different types of online streaming programs, such as Netflix, prime cable TV channels, and other paid sports streaming content. “Are online video streaming users the only victims? Hardly. The sad reality is that access to just about every conceivable online service is available,” states the document. “We found another online video streaming service account selling for $0.55. With single accounts to digital services selling for less than a dollar, criminals must move a lot of online accounts to make their efforts worthwhile.” Sadly, the availability of compromised data is, without a doubt, the most frightening element of the deep web. Source: Business Insider

বিয়ে হলো দু'জনের ভালোবাসার মেলবন্ধন, কোন লড়াই নয়

By : Maruf Al Berunee
"যখন আমি শুনি কেউ হয়ত আগামীতে বিয়ে করতে যাচ্ছে এবং আলাপ করছে যে তারা তাদের সম্ভাব্য স্বামী বা স্ত্রীর ব্যাপারে কী কী "মেনে নিবে না/সহ্য করবে না", তখন আমি বেশ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। কারো এমন চিন্তা নিয়ে বিয়ে করতে যাওয়া উচিত নয় যেন তারা লড়াইয়ে যাচ্ছে অন্যকে আঘাত করার জন্য যুদ্ধাস্ত্র হাতে প্রস্তুত রেখে এবং নিজেকে রক্ষা করতে বর্ম আচ্ছাদিত হয়ে।
বিয়ে হলো দু'জনের ভালোবাসার মেলবন্ধন, কোন লড়াই নয়। সেখানে শুধুমাত্র নিজের ভেতরকার দুর্বলতাগুলো এবং নফসের সাথে যুদ্ধ করা ছাড়া কোন যুদ্ধ নেই এবং অস্ত্রু বলতে আছে শুধুই দু'আ, তাওয়াক্কুল (আল্লাহর উপরে পরিপূর্ণ নির্ভরশীলতা) এবং স্বামী কিংবা স্ত্রী হিসেবে সফল হবার জন্য দৃঢ় একটি সংকল্প -- যা এই দুনিয়া এবং আখিরাতের জন্যেও।"
-- উম্মু যাকিয়্যাহ
['দি জার্নাল অফ উম্মু যাকিয়্যাহ' থেকে অনূদিত]

আপনার হৃদয় কি ভারাক্রান্ত?

By : Maruf Al Berunee
আপনার হৃদয় কি ভারাক্রান্ত? কষ্টে-যন্ত্রণায়, অপ্রাপ্তি-অশান্তি, শঙ্কায়-অস্থিরতায় কাটাচ্ছেন? একটা ব্যাপার জানেন? পৃথিবীতে এই মূহুর্তে কোটি কোটি মানুষ আপনার চেয়েও ভয়ংকর কষ্টে সময় কাটাচ্ছে। আপনি কি ভেবে দেখেছেন, আপনার এই মূহুর্তটা কিন্তু বেশিদিন থাকবে না!
কষ্টের একটা সময় থাকে। প্রথম ধাক্কাটা কিছুটা তীব্র হয়। কিছু বিষয়ে আবার পরবর্তীতে কষ্টটায় দীর্ঘ সময় ধরে ভুগতে হয়। সেগুলো যেমনই হোক, মানুষ অভ্যস্ত হয়ে যায়। সন্তানকে কবরে রেখে এসে পিতাকে বের হতে হয় জীবিকার সন্ধানে। সন্তান আর স্বামী মরে যাওয়ার পরেও একজন নারী ফিরে এসে রান্নার যোগাড় করেন অন্তত খেয়ে বেঁচে থাকতে। জীবন এমনই। আপনি যে কষ্টটিকে সহ্যের অতিরিক্ত ভাবছেন, যে ক্ষতিটাকে কল্পনাতীত ভেবে আপনার বুক ফেটে যাচ্ছে -- সেটুকুকেই আঁকড়ে ধরে বেঁচে থাকার প্রেরণা পেতেন আরো অসংখ্য লোক। তারা সেটুকুও পান না। 
আল্লাহ মানুষকে পৃথিবীতে পাঠিয়েছেন তার ইবাদাতের জন্য। আপনি না চাইলেও আপনাকে তিনি উপলব্ধি করিয়েই দেবেন যে আপনি এই পৃথিবীর কোনো কিছুরই উপরে ক্ষমতা রাখেন না, আপনি অসহায়। এই উপলব্ধিটা একটি পরম নিয়ামাত যখন আপনি বুঝবেন আল্লাহ ছাড়া কেউ নেই অভিভাবক। 
সকল ক্ষতিই মানুষ কাটিয়ে উঠতে পারে। মানুষ পরম অভিযোজন ক্ষমতার একটি প্রাণী। যাকে ছাড়া/যা ছাড়া জীবন কল্পনাও করতে পারেননি, তার বিদায়ের পরে আপনি দিব্যি খাবেন, ঘুমাবেন, হাসবেন। কোনো কিছুই চিরস্থায়ী নয়। দুঃখ নয়, গ্লানি হয়। এমনকি আনন্দের সময়ও নয়। দুনিয়া নিজেই অস্থায়ী। এর ভেতরের প্রতিটি প্রাণী, প্রতিটি সত্ত্বা, প্রতিটি কণা অস্থায়ী, নশ্বর। এমন কিছুর প্রতি কীসের এত আকাঙ্ক্ষা, এত স্বপ্ন আর কল্পনা-জল্পনা আমাদের যা কিছু সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়ে শেষ হয়ে যাবে?
[০৩ ডিসেম্বর, ২০১৫]

এবার তবে নিশ্চুপ থাকা হোক

By : Maruf Al Berunee
প্রতিটি মানুষের জীবনই কষ্টের। এমনকি যে অপরাধ করতে করতে নিজেকে জুলুম করছে, সে-ও তার অপরাধবোধ, গ্লানি ঢাকতে অন্য কিছু করে নিজেকে ব্যস্ত রাখে। অথচ রোগে যখন সে ভুগতে থাকে, অথবা যখন মরে যায়, তাকে কাফনের কাপড়ে পেঁচিয়ে মাটির নিচে রেখে আসা হয়। যুগে যুগে শত-শত ক্ষমতালোভী শাসকগুলো এভাবেই বিদায় নিয়েছে। এরপর, একসময় তারা হয়েছে ইতিহাসে বিলীন। কেউ জানেনা, খোঁজ রাখেনা।
ভাবলে কেমন অদ্ভুত লাগে, না? যে মানুষটি হয়ত পৃথিবীর কোনো একটি কোণে, এই যেমন ইয়েমেনে কিংবা সিরিয়ায় আজ একটা পথচারী কিশোর হেঁটে চলতে গিয়ে বোমার আঘাতে মরেই গেলো। কেন মরলো, কে মারলো-- বুঝলোই না। আবার হয়ত হেবরনে, পশ্চিম তীরে অথবা কাশ্মীরে দখলদারী আর্মির হাতে একটা কিশোর হয়ত বন্দী হলো যখন, তখন তার বয়েসি পশ্চিমা ছেলেগুলো পার্টি করে, নাইটক্লাবিং করে কোমর দোলাচ্ছে। বন্দী ছেলেটি অপরাধ সে বুঝলোও না, তাকে গরম পানিতে পুড়িয়ে, বেয়নেটে খুঁচিয়ে মেরে ফেলা হলো। লাশটাও ফেরত গেলো না। কিশোরের মা আহাজারি করে বাকিটা জীবন পার করবে। অথবা হয়ত সেই অভাগী মা একদিন নিজেই গুলি খেয়ে মরে যাবেন। 
জীবন-মৃত্যুর এই খেলা যখন চলছে, তখনই কেউ আবেগঘন প্রেম করছে, কেউ ঝগড়া করছে, কেউ ঠকাচ্ছে, কেউ বার্থডে কেক কাটছে। সবকিছুরই সাক্ষী থাকছে অনেকগুলো রূহ, অনেকজন ইনসানের। তখনই আকাশে হয়ত আলোচ্ছটা জ্বললো উল্কাপিন্ডের। ফুল ফুটছে বাগানে, একজন গার্ডেনার বছর ধরে বসে ছিলেন নাইটকুইনকে ফুটতে দেখবেন বলে। একদল ডলফিন ঝুপ করে লাফ দিলো। পৃথিবীময় সৌন্দর্যের এই নিপুণ বাগানে কত ঘটনা! কত সৃষ্টি, কত প্রেম, কত ভালোবাসা চারপাশে। তবুও নিষ্ঠুর মানুষগুলোই হত্যা করে, কী পেতে চায় কে জানে? হিংসায় জ্বলে-পুড়ে নিজেই ডুবে যায় অনল দহনে। 
এত অনুভূতি ধারণ করতে পারে কি কোনো অন্তর? আমাদের হৃদয়ের মাঝেই তো আকাশের মতন বিশালতা আছে, তবু কি পারি এই পৃথিবীর বৈচিত্র্যকে অনুভূতিতে ধারণ করতে? তীব্রতম কষ্টের মূহুর্তগুলো কোনো সাহিত্যে থাকে না, কেউ লিখতে পারে না। তেমনি সর্বোচ্চ আনন্দের মূহুর্তও পাওয়া যায় না কোথাও। মানুষ পারেনা সুন্দর কিংবা কষ্টকে শব্দে ধারণ করতে।
বাকি সবই খুব অগভীর, প্রদর্শনী কেবল। অগভীর অনুভূতিহীনতায় সবাই ভেসে যায়। অবাক পৃথিবীতে অনেকেই লিখতে চেয়েছে, একসময় হয়ত শ্রান্ত হয়ে নিশ্চুপ হয়ে যেতে চেয়েছে। পারবে না বলে ছেড়ে দিতে চেয়েছে কেউ কেউ।
যিনি বানিয়েছেন সব, সমস্ত সুন্দর-অসুন্দর,ভালো-মন্দগুলো নিয়ে তিনিই বলা উত্তম। থাকুক তবে সকল শব্দ। এবার তবে নিশ্চুপ থাকা হোক।
**************
৩০ নভেম্বর, ২০১৫
সন্ধ্যা ৬-১৫ মিনিট

সমাজের ক্রমবর্ধমান অশ্লীলতার শেষ কোথায়?

By : Maruf Al Berunee
​ওরা সংশয় ছুঁড়ে দেয়-- এত প্রেরণা দিয়ে কী হবে? এত সচেতনতা দিয়ে কী হবে? ওরা বলে ওঠে, সমাজের সবাই ভেসে যাচ্ছে, ঘরে ঘরে এখন সবাই নাটক-সিনেমাতে বুঁদ হয়ে আছে, প্রেমের সাগরে ডুবে শরীরের উত্তাপে পুড়ে চলেছে তরুণ-তরুণীরা যখন, তখন তোমাদের এসব লিখে কী হবে?
আমরা বলি, সবাই যে শান্তি চায় তা আমরা জানি। জানি এই পৃথিবীতে আল্লাহর নির্দেশিত পথ ছাড়া কোথাও শান্তি নেই। মুসলিম ঘরে জন্মে এখন দেশের অধিকাংশ মানুষ ইসলামের শিক্ষা ও সংস্কৃতির বাইরে। সেক্যুলাররা খেটে-খুঁটে যে শিক্ষাব্যবস্থাকে রূপ দিতে চেয়েছিলো তার অনেকটাই সফল, হয়ত তাদের প্রকৃত লক্ষ্যে পৌঁছতে অনেকটা পথ বাকি। তাতেই মুসলিম মেয়েদের বোরকা পরাকে খুব গরম মনে হয়, হিজাবকে আনস্মার্ট লাগে। চোখ নামিয়ে চলা, দাড়িওয়ালা ছেলেদেরকে দেখলে আনস্মার্ট ও ক্ষ্যাত লাগে। হিন্দি সিরিয়াল না দেখলে তাদের দিন কাটেনা, অথচ দশজন নবী এবং সাহাবীর নামও তারা বলতে পারবে না। নষ্ট শিক্ষাব্যবস্থার নষ্ট প্রোডাকশন এই সমাজ, নতুন প্রজন্ম--আত্মপরিচয়হীন ক্লীবে পরিণত হয়ে গেছে যে সুন্দর সৃষ্টিরা।
কিন্তু আমাদের সামনে একটি ইতিহাস আছে। সেই ইতিহাসে দেখতে পাই একজন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এই গোটা পৃথিবীর শেষদিন পর্যন্ত যত মানুষ আসবে, তাদের সবার দায়িত্ব কাঁধে নিয়ে জীবনের মিশন পূর্ণ করেছিলেন। তার সাহাবারা এমন পথ তৈরি করে দিয়ে গেছেন যাতে পৃথিবীর শেষ দিন পর্যন্ত মানুষের মুক্তির পথ হিসেবে আদর্শ হয়ে রবে। তাদের শাসন ও কর্মপদ্ধতি ছিলো শান্তি আনয়নকারী, মানবিক।
পৃথিবীতে সবসময়েই খুব কম সংখ্যক মানুষ পরিবর্তন এনেছে, পরিবর্তনে বেশি মানুষ লাগে না। অন্যভাবে বলা যায়, বেশি মানুষ কখনই পরিবর্তন চায় না। জগতে খুব কম মানুষই বীর ছিলো, খুব কম মানুষই জ্ঞানী ছিলো। বেশিরভাগ মানুষই জন্ম নিয়ে, খেয়ে-দেয়ে, প্রাকৃতিক ডাকে সাড়া দিয়ে, শরীরের কামনা পূরণ করে মরে গেছে।
আজকে আমরা যারা এই চরম কামে ভরপুর পথঘাট-ক্লাসরুম-বিলবোর্ডভরা, মাস্তি-ডিজেড্যান্সেভরা, হিন্দি সিরিয়াল আর অশ্লীল হিন্দি মিউজিক ভিডিওভরা সমাজে আখিরাতের নিশ্চিত শান্তি পেতে বুকে দৃঢ়তা ও কষ্ট নিয়ে ভিন্ন এক শান্তির ধারা রচনা করতে চেষ্টা করছি, একদিন আমরাই সমাজে ছড়িয়ে যাবো ইনশা আল্লাহ।
ভুল জিনিসগুলো বেশিদিন থাকে না। অন্যায়কারী ব্রিটিশ সাম্রাজ্য দুই-তিনশ বছর পরে গোটা দুনিয়া থেকে হারিয়ে এখন ছোট্ট একটি ভুখন্ডে ধুঁকে ধুঁকে আছে। এখনকার মার্কিন সাম্রাজ্যবাদেরও পতন হবে। বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান এই ধ্বংস হয়ত বৃদ্ধি পেতে পেতে একসময় সম্পূর্ণ ধ্বংসস্তূপে পরিণত হবে। এরপর আবার সত্য ও শান্তিকে চাওয়া মানুষরা দ্বীনকে আঁকড়ে ধরবে। লক্ষ কোটি মিথ্যায় সবকিছু সয়লাব হলেও সবশেষে  শুধু সত্য টিকে থাকে। এসব অশ্লীলতা নষ্টামির সভ্যতা ও সংস্কৃতি তো ধ্বংস হয়, হবেই।
আল্লাহ আমাদের সমাজকে রহম করুন। আমাদের পরিবারগুলো যেন হয় শান্তিময় ও আত্মশক্তির উৎস। আল্লাহ যেন আমাদেরকে আমাদের দুর্বল ঈমানের অপারগতা থেকে ক্ষমা করেন। হে আমাদের রব, আমাদেরকে কল্যাণময় জ্ঞান দান করুন, আমাদের জীবনকে কবুল করুন!
২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৫

Copyright © Technology Is For Us, We Are Not For Technology!!! - - Designed by Maruf Al Berunee -